51টি পণ্য পাওয়া গেছে
কাগজ দেখতে সাধারণ, কিন্তু কাজভেদে তার চরিত্র পুরো আলাদা। যে কাগজে চিঠি ছাপা ভালো হয়, তাতে জলরং ধরে না; যে কাগজে পোস্টার হয়, তা প্রিন্টারে ঢোকানো যায় না। তাই সঠিক কাগজ বাছাই করাটাই অর্ধেক কাজ, আর এই বিভাগ সেই বাছাইয়ের জায়গা।
এখানে এক ছাতার নিচে আছে দৈনন্দিন কপি ও প্রিন্টার পেপার, রঙিন ও অফসেট লেখার কাগজ, আঁকা ও মলাটের জন্য আর্ট পেপার ও কার্ডস্টক, ছবি ছাপার গ্লসি ফটো পেপার, স্টিকার ও লেবেল শিট, নকশা তোলার ট্রেসিং ও কার্বন পেপার, হিসাব-নকশার গ্রাফ ও ড্রাফটিং শিট, ক্লাসের উপস্থাপনার চার্ট ও পোস্টার পেপার, কারুকাজের ক্রেপ ও অরিগামি কাগজ এবং সনদ ছাপার টেক্সচার্ড শিট।
জিএসএম, মাপ আর পৃষ্ঠের ধরন — কাগজ বাছাইয়ের তিনটি মূল সূত্র এই।
শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অফিসকর্মী, শিল্পী ও ছোট প্রেসের মালিক — সবার কাগজের চাহিদা মাথায় রেখেই বইপোকার এই বিভাগ।
জিএসএম মানে প্রতি বর্গমিটারে কাগজের ওজন গ্রামে। সংখ্যা যত বড়, কাগজ তত মোটা ও ভারী। দৈনন্দিন ছাপার কাগজ তুলনামূলক পাতলা হয়, মলাট বা কার্ড হয় অনেক বেশি জিএসএমের। কোন কাজে কী লাগবে বুঝতে জিএসএম দেখাই সবচেয়ে সহজ উপায়।
সাধারণ লেখা ও দাপ্তরিক ছাপার জন্য মাঝারি জিএসএমের মসৃণ কপি পেপারই যথেষ্ট। ছবি ছাপতে চাইলে ইঙ্কজেট বা লেজারের উপযোগী ফটো পেপার লাগে। মনে রাখবেন, প্রতিটি প্রিন্টারের একটি সর্বোচ্চ পুরুত্বের সীমা থাকে, তার বেশি মোটা কাগজ দিলে কাগজ আটকে যায়।
কাগজ আর্দ্রতা টানে, তাই স্যাঁতসেঁতে ঘরে রাখলে পাতা কুঁচকে যায় ও প্রিন্টারে আটকায়। মোড়ক না খুলে শুকনো জায়গায় সমতলভাবে রাখুন এবং সরাসরি মেঝেতে না রেখে তাকে তুলে রাখুন। রোদ লাগলে সাদা কাগজ হলদে হয়ে যেতে পারে।