2টি পণ্য পাওয়া গেছে
কলম চালানোর সময়ই বোঝা যায় কাগজটা কেমন। কালি ছড়িয়ে গেলে বা পেছনে ফুটে উঠলে সারা পাতার চেহারা নষ্ট হয়ে যায়। আবার শ্রেণিকক্ষে বা অফিসে রং দিয়ে কাগজ আলাদা করার চলও পুরনো, কারণ তাতে খুঁজে পাওয়া সহজ হয়।
এই সংগ্রহে থাকে হাতে লেখার উপযোগী মসৃণ অফসেট কাগজ, দাগ কাটা রুলড শিট, চিঠিপত্রের জন্য লেটার প্যাড শিট, প্যাস্টেল ও উজ্জ্বল রঙের কালার পেপার, দুই পিঠে একই রঙের শিট, ছাপাখানার ব্যবহারের বড় রিম, এ-ফোর ও এ-থ্রি কাটা মাপ, সেইসঙ্গে হালকা ও ভারী জিএসএমের বিকল্প। ব্যবহার হয় ক্লাসের নোট, কোচিংয়ের শিট, নোটিশ, লিফলেট, আমন্ত্রণপত্র, রঙভিত্তিক ফাইলিং এবং স্কুলের কারুকাজে।
কালি শুকানোর আচরণ আর রঙের স্থায়িত্ব — হাতে ধরে দেখেই বোঝা যায়।
নোট লেখা শিক্ষার্থী, শ্রেণিকক্ষের শিক্ষক, ছোট প্রেস ও অনুষ্ঠান আয়োজকদের জন্য বইপোকার এই কাগজের সংগ্রহ।
কপি পেপার মূলত প্রিন্টার ও ফটোকপি মেশিনের জন্য তৈরি, তাই এটি সমান পুরুত্বের ও মসৃণ। অফসেট কাগজ ছাপাখানার প্রেসের জন্য তৈরি হয় এবং হাতে লেখার সময় কালি ভালোভাবে শোষণ করে। নোট বা খাতার কাজে অনেকে অফসেট কাগজই বেশি পছন্দ করেন।
নোটিশ, লিফলেট, আমন্ত্রণপত্র, শ্রেণিকক্ষের কার্যপত্র ও কারুকাজে রঙিন কাগজ বহুল ব্যবহৃত। অফিসে বিষয়ভিত্তিক ফাইলিংয়েও রং কাজে লাগে — এক রং এক বিভাগের জন্য রাখলে তাক থেকে খুঁজে নিতে সময় কম লাগে।
পৃষ্ঠ মসৃণ ও ভালোভাবে সাইজ করা কাগজে কালি কম ছড়ায়। খুব পাতলা কাগজে জেল বা ফাউন্টেন পেনের কালি পেছনে ফুটে ওঠে, তাই একটু বেশি জিএসএমের কাগজ নিন। কেনার আগে সম্ভব হলে এক পাতায় নিজের কলম দিয়ে লিখে পরীক্ষা করে নিন।