4টি পণ্য পাওয়া গেছে
গণিতের খাতায় একটা ঠিকঠাক লেখচিত্র আঁকতে গেলে চোখে আন্দাজ করে দাগ টানলে চলে না। ছোট ছোট সমান ঘর থাকলে বিন্দু বসানো, ঢাল মাপা আর মাপ ঠিক রাখা — সবই সহজ হয়ে যায়। পরীক্ষার হলে এই কাগজ হাতে থাকা মানে অনেকটা নিশ্চিন্তি।
এই বিভাগে থাকে মিলিমিটার ঘরের গ্রাফ শিট, বড় ঘরের স্কোয়ার পেপার, সেমি-লগ ও লগ-লগ গ্রাফ, পোলার ও আইসোমেট্রিক গ্রিড, ইঞ্জিনিয়ারিং ড্রাফটিং শিট, বর্ডার ও টাইটেল ব্লক ছাপানো নকশা, আলগা শিটের প্যাকেট ও বাঁধাই করা গ্রাফ খাতা এবং এ-ফোর, এ-থ্রি ও এ-টু মাপ। স্কুলের গণিত, কলেজের পদার্থবিজ্ঞান ও পরিসংখ্যান, বিশ্ববিদ্যালয়ের নকশা কোর্স, স্থাপত্যের স্কেচ ও কারখানার ছোট নকশায় এগুলো লাগে।
কোন গ্রিড আর কত বড় শিট — পরীক্ষার নিয়ম দেখে ঠিক করাই ভালো।
গণিত ও বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী, প্রকৌশল শিক্ষানবিশ, শিক্ষক ও নকশাকারদের জন্য বইপোকার এই কাগজের সংগ্রহ।
বেশিরভাগ স্কুল ও কলেজে মিলিমিটার ঘরের সাধারণ গ্রাফ শিট ব্যবহৃত হয়, যা এ-ফোর মাপে পাওয়া যায়। তবে কিছু বিষয়ে সেমি-লগ বা পোলার গ্রিড লাগে। পরীক্ষার আগে সিলেবাস বা শিক্ষকের নির্দেশনা দেখে কোন ধরনের শিট অনুমোদিত তা নিশ্চিত হয়ে নিন।
নিয়মিত ক্লাসের কাজে বাঁধাই করা গ্রাফ খাতা সুবিধাজনক, কারণ পাতা হারায় না এবং ক্রমানুসারে থাকে। কিন্তু অ্যাসাইনমেন্ট বা পরীক্ষায় আলাদা করে জমা দিতে হলে আলগা শিটই দরকার, সেগুলো ফাইলে ঢুকিয়ে বা স্ট্যাপল করে দেওয়া যায়।
আইসোমেট্রিক শিটে তিনটি দিকে তির্যক রেখা থাকে, ফলে ত্রিমাত্রিক বস্তুর স্কেচ সহজে আঁকা যায়। যন্ত্রাংশ, স্থাপত্যের ভলিউম বা পণ্যের নকশা দ্রুত বোঝাতে এটি কাজে লাগে। সাধারণ বর্গাকার গ্রিডে একই কাজ করতে গেলে কোণের হিসাব নিজে করতে হয়।