0টি পণ্য পাওয়া গেছে
কোনো পণ্য পাওয়া যায়নি।
একই নকশা বারবার আঁকার দরকার নেই — উপরে একটি স্বচ্ছ শিট রেখে রেখা টেনে নিলেই কাজ হয়ে যায়। আবার হাতে লেখা রসিদের দুটি কপি দরকার হলে মাঝে একটি কালো শিট বসিয়ে দিলেই চলে। পুরনো এই কৌশলগুলো আজও সমান কার্যকর।
এই বিভাগে পাওয়া যায় নকশা তোলার স্বচ্ছ ট্রেসিং পেপার, হালকা ও ভারী জিএসএমের শিট, খাবার মোড়ানো ও বেকিংয়ে ব্যবহারের বাটার পেপার, নীল ও কালো কার্বন পেপার, একপিঠ ও দুইপিঠ কার্বন, গ্রাফাইট ট্রান্সফার শিট, সূচিকর্ম ও কাঠের কাজে নকশা তোলার ট্রান্সফার পেপার এবং এ-ফোর ও রোল আকারের সংস্করণ। স্থাপত্যের নকশা, মেহেদি ও টাট্টুর প্যাটার্ন, দর্জির কাটিং, হিসাবের রসিদ বই ও বেকারির কাজে এগুলো লাগে।
শিটটি দেখার জন্য নাকি ছাপ ফেলার জন্য — সেই প্রশ্নেই বাছাই সহজ হয়।
স্থপতি, প্রকৌশল শিক্ষার্থী, দর্জি, কারুশিল্পী ও হিসাব লেখার কাজে যুক্ত সবার কথা ভেবে বইপোকা এই সংগ্রহ রেখেছে।
দেখতে কাছাকাছি হলেও কাজ আলাদা। ট্রেসিং পেপার তৈরি হয় নকশা দেখে টুকে নেওয়ার জন্য, তাই এটি বেশি স্বচ্ছ ও পেন্সিলের ঘষা সহ্য করে। বাটার পেপার মূলত খাবার মোড়ানো ও বেকিংয়ের জন্য, এতে তেল আটকায় না। আঁকার কাজে ট্রেসিং পেপারই উপযুক্ত।
সাধারণত একটি কার্বন শিটে নিচের একটি কপি পরিষ্কার আসে। একাধিক কপি চাইলে প্রতিটি স্তরের মাঝে আলাদা কার্বন দিতে হয় এবং তখন চাপ বাড়াতে হয়, ফলে নিচের কপিগুলো ক্রমে হালকা হয়। রসিদ বইয়ের মতো কাজে দুই বা তিন কপির বেশি না করাই ভালো।
কাপড়ের জন্য আলাদা ট্রান্সফার বা ট্রেসিং শিট পাওয়া যায়, যেগুলোর ছাপ পরে ধুয়ে ফেলা যায় বা তাপে বসে যায়। সাধারণ অফিস কার্বন ব্যবহার করলে দাগ স্থায়ী হয়ে যেতে পারে। কাজ শুরুর আগে কাপড়ের ছোট এক টুকরোয় পরীক্ষা করে নেওয়া নিরাপদ।