4টি পণ্য পাওয়া গেছে
পাতলা কাগজে ছাপা ভিজিটিং কার্ড হাতে নিলেই বোঝা যায় কোথায় ঘাটতি রয়ে গেছে। মোটা, মসৃণ, একটু ওজনদার কাগজ পুরো জিনিসটাকেই অন্যরকম করে তোলে। মলাট, কার্ড, ট্যাগ বা মাউন্টিং — এসব কাজের জন্যই আর্ট পেপার আর কার্ডস্টক।
এই বিভাগে পাওয়া যায় গ্লসি ও ম্যাট আর্ট কার্ড, একপিঠ আবরণযুক্ত আর্ট পেপার, নানা জিএসএমের সাদা ও রঙিন কার্ডস্টক, আইভরি বোর্ড, ডুপ্লেক্স বোর্ড, শিমার বা মেটালিক আভার শিট, এ-ফোর ও এ-থ্রি কাটা মাপ এবং প্রেসে যাওয়ার উপযোগী বড় শিট। কাজে লাগে ভিজিটিং কার্ড, মেনু কার্ড, বিয়ের নিমন্ত্রণপত্র, প্যাকেজিং ট্যাগ, বইয়ের মলাট, স্কুল প্রকল্পের মডেল ও স্ক্র্যাপবুকিংয়ে।
ভাঁজ করবেন কি না — সেই একটি প্রশ্নই জিএসএম বাছাইয়ের অর্ধেক উত্তর।
গ্রাফিক ডিজাইনার, ছাপাখানার কর্মী, উদ্যোক্তা, শিক্ষক ও কারুশিল্পীদের চাহিদা মাথায় রেখেই বইপোকায় এই শিটগুলো রাখা।
আর্ট পেপারের পৃষ্ঠে একটি আবরণ থাকে, যার ফলে ছাপা রং উজ্জ্বল ও ধারালো হয়; এটি তুলনামূলক পাতলাও হতে পারে। কার্ডস্টক মূলত মোটা ও শক্ত শিট, যা কার্ড, মলাট বা ট্যাগের মতো দাঁড়িয়ে থাকা জিনিসের জন্য ব্যবহৃত হয়। অনেক কার্ডস্টকে আবরণ থাকে না।
ভিজিটিং কার্ড মোটা ও শক্ত হওয়া দরকার, তাই উঁচু জিএসএমের আর্ট কার্ড বা কার্ডস্টক বেছে নিন। ছবি ও গাঢ় রঙের নকশা থাকলে গ্লসি, আর সাদামাটা ও পেশাদার চেহারা চাইলে ম্যাট ফিনিশ ভালো লাগে। ছাপার আগে প্রেসের সঙ্গে জিএসএম ও কাটিং মাপ মিলিয়ে নিন।
অনেক ঘরোয়া প্রিন্টারেই মাঝারি পুরুত্বের কার্ডস্টক চলে, তবে প্রতিটি যন্ত্রেরই একটি সর্বোচ্চ সীমা থাকে। যন্ত্রের নির্দেশিকায় সমর্থিত জিএসএম দেখে নিন এবং সম্ভব হলে ম্যানুয়াল ফিড ট্রে ব্যবহার করুন। খুব মোটা শিট জোর করে দিলে কাগজ আটকে যেতে পারে।