0টি পণ্য পাওয়া গেছে
কোনো পণ্য পাওয়া যায়নি।
স্কুলের দেয়াল পত্রিকা, বিজ্ঞান মেলার স্টল, ক্লাসের দলগত উপস্থাপনা কিংবা দোকানের ছোট ঘোষণা — এসবের জন্য ছোট কাগজে কাজ চলে না। দরকার হয় এমন বড় শিট, যা দূর থেকে দেখা যায় এবং যাতে মার্কার ভালোভাবে বসে।
এই সংগ্রহে থাকে সাদা ও রঙিন চার্ট পেপার, একপিঠ মসৃণ আর্ট চার্ট, ম্যাট পোস্টার শিট, ফ্লিপচার্ট প্যাডের বড় পাতা, ঘরকাটা বা দাগ টানা চার্ট, মাউন্টিং বোর্ড ও ফোম-সদৃশ শক্ত শিট, গাঢ় রঙের ব্ল্যাক ও কালার চার্ট এবং নানা মাপের রোল। ব্যবহার হয় শ্রেণিকক্ষের শিক্ষামূলক চার্ট, প্রশিক্ষণ কর্মশালা, প্রচারপত্র, জন্মদিনের ব্যানার, প্রকল্পের মডেল ব্যাকগ্রাউন্ড ও দোকানের মূল্যবহির্ভূত ঘোষণায়।
কতদূর থেকে দেখা হবে, সেটিই শিটের মাপ ও রং বেছে দেয়।
শ্রেণিশিক্ষক, বিজ্ঞান মেলার প্রতিযোগী, প্রশিক্ষক ও অনুষ্ঠান আয়োজকদের কথা ভেবে বইপোকা এই বড় শিটগুলো রেখেছে।
সাধারণ শ্রেণিকক্ষের উপস্থাপনার জন্য মাঝারি জিএসএমের সাদা চার্ট পেপারই যথেষ্ট, এতে মার্কার ও রঙিন কলম দুটোই বসে। যদি কাগজে ছবি আটকাতে হয় বা মডেল দাঁড় করাতে হয়, তবে মোটা মাউন্টিং বোর্ড নিন, কারণ পাতলা শিট ওজনে বেঁকে যায়।
পারমানেন্ট মার্কারের কালি পাতলা কাগজ ভেদ করে যায়। এটি এড়াতে বেশি জিএসএমের বা একপিঠ আবরণযুক্ত আর্ট চার্ট ব্যবহার করুন। কাজের সময় নিচে একটি বাড়তি কাগজ পেতে নিলে টেবিলেও দাগ পড়ে না। সম্ভব হলে ওয়াটার-বেসড মার্কার বেছে নিন।
ভাঁজ করলে রেখা বরাবর স্থায়ী দাগ পড়ে যায়, যা উপস্থাপনার সময় দৃষ্টিকটু লাগে। তাই শিট রোল করে রাবার ব্যান্ড দিয়ে আটকে রাখাই ভালো, প্রয়োজনে একটি কাগজের নলের ভেতর ঢুকিয়ে নিন। রোল খোলার পর কিছুক্ষণ ভারী বইয়ের নিচে রাখলে সমান হয়ে যায়।