26টি পণ্য পাওয়া গেছে
প্রিন্টারে কাগজ শেষ হয়ে যাওয়া অফিসের সবচেয়ে চেনা বিপদগুলোর একটি। রোজকার চিঠি, ফরম, নোটিশ, ক্লাসের হ্যান্ডআউট কিংবা বাসার হোমওয়ার্ক — সবকিছুর ভিত্তিই এই সাধারণ সাদা কাগজ, তাই এটির মজুত সবসময় থাকা চাই।
এই বিভাগে মেলে রিম ও প্যাকেট আকারে এ-ফোর কপি পেপার, এ-থ্রি মাপের বড় শিট, এফ-সি বা লিগ্যাল মাপের কাগজ, মাঝারি থেকে উঁচু জিএসএমের সংস্করণ, উজ্জ্বলতার মাত্রাভেদে সাদা ও আইভরি টোন, এক পিঠ ও দুই পিঠে ছাপার উপযোগী শিট এবং ফটোকপি মেশিনে দ্রুত চলার উপযোগী মসৃণ কাগজ। স্কুলের পরীক্ষার প্রশ্ন, ব্যাংকের ফরম, প্রেসের ছোট কাজ কিংবা বাসার ব্যক্তিগত প্রিন্ট — সবখানেই এই কাগজ লাগে।
কাগজের পুরুত্ব আর উজ্জ্বলতা — এই দুটো ঠিক থাকলে ছাপা ঝকঝকে হয়।
অফিসের প্রশাসনিক শাখা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কম্পিউটার কম্পোজের দোকান আর বাসার ব্যবহারকারীদের জন্য বইপোকার এই কাগজের তালিকা।
দৈনন্দিন অফিস ও ফটোকপির কাজে সাধারণত মাঝারি জিএসএমের কাগজ ব্যবহার হয়, যা খরচ ও মানের ভারসাম্য রাখে। প্রতিবেদন, চিঠিপত্র বা দুই পিঠে ছাপার কাজে একটু বেশি জিএসএম নিলে লেখা পেছন থেকে দেখা যায় না এবং কাগজ হাতে ধরতে ভালো লাগে।
প্রথমে দেখুন কাগজ স্যাঁতসেঁতে হয়ে কুঁচকে গেছে কি না, কারণ আর্দ্র কাগজই বেশি আটকায়। ট্রেতে অতিরিক্ত কাগজ দেবেন না এবং দেওয়ার আগে তাড়াটি ঝেড়ে আলগা করে নিন। কাগজের জিএসএম যদি প্রিন্টারের সীমার বেশি হয়, তবে পাতলা কাগজে বদলে দেখুন।
বাংলাদেশে অনেক সরকারি ফরম, আদালতের কাগজ ও ব্যাংকের নথি এ-ফোরের চেয়ে লম্বা মাপে ছাপা হয়, সেগুলোর জন্য এফ-সি বা লিগ্যাল কাগজ লাগে। এ-ফোরে ছাপলে নিচের অংশ কেটে যেতে পারে, তাই এমন কাজ নিয়মিত থাকলে আলাদা করে এই মাপ রাখা ভালো।