351টি বই পাওয়া গেছে
বাঙালির হেঁশেলের স্বাদ অনেকটাই মুখে মুখে শেখা। তবু মাপ আর পদ্ধতি লেখা থাকলে সেই রান্না নতুন হাতেও ঠিকঠাক দাঁড়ায়। এই উপবিভাগ সেই কারণেই—দেশি পদের রেসিপি এক জায়গায়।
বইগুলোতে পাওয়া যায় নানা পদের ভর্তা ও ভাজি, ডাল ও নিরামিষ পদ, মাছের ঝোল-ভুনা-দোপেঁয়াজা, মাংসের রেজালা, কালাভুনা ও কোরমা, খিচুড়ি ও পোলাও-বিরিয়ানির বিভিন্ন ধরন, আচার ও চাটনি, আর ঈদ-পূজা কিংবা অতিথি আপ্যায়নের বিশেষ পদ। অঞ্চলভিত্তিক রান্নার বইও আছে—চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা বা উত্তরবঙ্গের নিজস্ব স্বাদ ধরে লেখা। অনেক বইয়ে মসলার অনুপাত, আঁচ ঠিক রাখার কৌশল ও আগাম প্রস্তুতির পরামর্শও আলাদা করে দেওয়া থাকে।
প্রতিদিনের রান্না নাকি উৎসবের আয়োজন—বই বাছাই সেটার ওপরই নির্ভর করে।
ঘরের রান্নাঘর সামলানো পাঠক আর দেশি স্বাদ শিখতে চাওয়া নতুন রাঁধুনির জন্য বইপোকার এই উপবিভাগ।
যদি নির্দিষ্ট অঞ্চলের স্বাদ শিখতে চান, তাহলে আছে। একই পদ চট্টগ্রাম আর সিলেটে আলাদা মসলায় রান্না হয়, এবং আঞ্চলিক বইয়ে সেই অনুপাত ও কৌশল বিস্তারিত থাকে। সাধারণ রান্নার বইয়ে এত খুঁটিনাটি সাধারণত আসে না।
প্রথমবার রান্নার সময় মাপ মেনে চলাই ভালো, কারণ তাতে পদটির আসল স্বাদ বোঝা যায়। পরে ঝাল, লবণ বা মিষ্টি নিজের পছন্দমতো অল্প অল্প করে বদলে নেওয়া যায়। আঁচ ও রান্নার সময় চুলাভেদে সামান্য বদলাতে পারে।
হ্যাঁ, ঈদ, পূজা, বিয়ে বা অতিথি আপ্যায়নের পদ নিয়ে সাজানো সংকলন এখানে পাওয়া যায়। এ ধরনের বইয়ে অনেক সময় আগাম প্রস্তুতির তালিকা ও বড় পরিমাণে রান্নার হিসাবও দেওয়া থাকে, যা আয়োজন সামলাতে কাজে লাগে।