46টি বই পাওয়া গেছে
প্রতিদিন কী খাচ্ছি, কতটা খাচ্ছি আর কেন খাচ্ছি—এই তিনটি প্রশ্নের উত্তর জানা থাকলে খাবারের টেবিলের সিদ্ধান্তগুলো সহজ হয়ে যায়। এই উপবিভাগের বইগুলো সেই প্রাথমিক বোঝাপড়া তৈরিতে সাহায্য করে।
তালিকায় রয়েছে সুষম খাদ্য ও খাদ্যগুণ নিয়ে পরিচিতিমূলক বই, আমিষ-শর্করা-স্নেহ ও ভিটামিন-খনিজের ভূমিকা, বয়সভেদে খাদ্যচাহিদা, শিশু ও কিশোরের পুষ্টি, গর্ভকালীন ও বয়স্কদের খাদ্যতালিকা, খেলোয়াড় ও শারীরিক পরিশ্রম করা মানুষের খাবার, নিরাপদ খাদ্য ও রান্নাঘরের স্বাস্থ্যবিধি, খাদ্য সংরক্ষণ এবং জনস্বাস্থ্য ও পুষ্টিবিষয়ক পাঠ্যবই। বইগুলো সাধারণ তথ্য ও শিক্ষার জন্য; ওজন, ডায়াবেটিস বা অন্য কোনো শারীরিক অবস্থার নির্দিষ্ট খাদ্যতালিকা ঠিক করার আগে যোগ্য চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
তথ্যের উৎস ও লেখকের পেশাগত পরিচয় দেখে বই বেছে নেওয়া ভালো।
পরিবারের খাদ্যাভ্যাস নিয়ে ভাবা পাঠক ও পুষ্টিবিজ্ঞানের শিক্ষার্থী—দুই দলের জন্যই বইপোকার এই উপবিভাগ।
সাধারণ ধারণা নেওয়া যায়—কোন খাবারে কী আছে, সুষম প্লেট কেমন হয়, কোন অভ্যাস এড়ানো ভালো। তবে ব্যক্তিগত খাদ্যতালিকা নির্ভর করে বয়স, ওজন, শারীরিক অবস্থা ও ওষুধের ওপর, তাই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে যোগ্য পুষ্টিবিদ বা চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
শিশুর পুষ্টি নিয়ে লেখা বইয়ে বয়স অনুযায়ী খাদ্যচাহিদা, বাড়তি খাবার শুরু করার ধাপ, খাবারে অনীহা সামলানোর কৌশল ও স্বাস্থ্যকর টিফিনের ধারণা থাকে। শারীরিক কোনো সমস্যা মনে হলে শিশু চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
একাডেমিক বইয়ে পরিভাষা, তালিকা, সূত্র ও তথ্যসূত্রের ব্যবহার বেশি থাকে এবং বিন্যাস সিলেবাস অনুসরণ করে। সাধারণ পাঠকের বই লেখা হয় উদাহরণ ও দৈনন্দিন অভ্যাস ঘিরে। সূচিপত্র দেখলে পার্থক্যটা সহজেই বোঝা যায়।