0টি বই পাওয়া গেছে
কোনো বই পাওয়া যায়নি।
মিষ্টি বানানোর রান্নায় আন্দাজ কম চলে, মাপ বেশি চলে। তাই এই ধরনের রেসিপির জন্য নির্ভরযোগ্য বই হাতে থাকা দরকার। শখের বেকার থেকে ঘরোয়া ব্যবসার উদ্যোক্তা—দুজনেরই কাজে লাগে এমন বই এই উপবিভাগে।
সংগ্রহে থাকে কেক ও কাপকেক, ব্রেড ও বান, কুকি ও বিস্কুট, পেস্ট্রি ও টার্ট, ফ্রস্টিং ও আইসিংয়ের কৌশল, পুডিং, মুস ও আইসক্রিম, এবং বাঙালি ঘরের মিষ্টি—রসগোল্লা, পায়েস, সন্দেশ, হালুয়ার নানা ধরন। শীতের পিঠার আলাদা সংকলনও আছে: ভাপা, পাটিসাপটা, চিতই, পুলি থেকে শুরু করে অঞ্চলভেদে চেনা-অচেনা নানা পদ। অনেক বইয়ে ওভেন ছাড়া চুলায় বেক করার পদ্ধতি এবং সাধারণ ভুলগুলো এড়ানোর পরামর্শ দেওয়া থাকে।
মাপ, তাপমাত্রা আর সময়—এই তিনটি স্পষ্ট লেখা আছে কি না দেখে নিন।
শখের বেকার, পিঠা বানাতে ভালোবাসা পরিবার ও ছোট উদ্যোক্তাদের কথা ভেবে বইপোকা এই উপবিভাগটি গুছিয়েছে।
লাগবে, যদি বইটিতে চুলায় বা প্রেশার কুকারে বেক করার পদ্ধতি আলাদা করে দেওয়া থাকে। অনেক বাংলা বেকিং বইয়ে এই বিকল্পগুলো রাখা হয়, কারণ ঘরে ঘরে ওভেন থাকে না। কেনার আগে সূচিপত্রে এই অধ্যায়টি আছে কি না দেখে নিন।
চালের গুঁড়ার সঠিক মিহিত্ব, গোলার ঘনত্ব, ভাপ দেওয়ার সময় আর গুড়-নারকেলের অনুপাত—পিঠা ভালো হওয়ার মূল শর্তগুলো এসব বইয়ে বিস্তারিত থাকে। সঙ্গে অঞ্চলভেদে ভিন্ন ধরনের পিঠার পদ্ধতিও পাওয়া যায়।
কৌশলভিত্তিক বই বেছে নিন, যেখানে ময়দা-চিনি-ডিমের অনুপাত, ব্যাচ বাড়ানোর হিসাব ও সংরক্ষণের নিয়ম ব্যাখ্যা করা আছে। শুধু রেসিপির তালিকা নয়, মূল নীতিগুলো জানা থাকলে নিজের মতো করে পদ দাঁড় করানো যায়।