2টি বই পাওয়া গেছে
বাইরের রেস্তোরাঁয় খাওয়া পদটি ঘরে বানানো যায় কি না—এই কৌতূহল থেকেই অনেকের বিদেশি রান্নার বইয়ের খোঁজ শুরু হয়। ভালো বই সেই পদকে হাতের কাছের উপকরণ দিয়েই নাগালে এনে দেয়।
এই উপবিভাগে আছে চাইনিজ ও থাই রান্না, জাপানি ও কোরিয়ান পদ, ভারতীয় উপমহাদেশের অন্য অঞ্চলের রান্না, মধ্যপ্রাচ্যের কাবাব ও মেজ্জে, তুর্কি ও আরব ঘরানার পদ, ইতালিয়ান পাস্তা ও পিৎজা, কন্টিনেন্টাল স্যুপ-স্টেক-সালাদ এবং ফিউশন রান্নার সংকলন। অনেক বইয়ে বিদেশি উপকরণের দেশীয় বিকল্প, সসের ঘরোয়া সংস্করণ ও প্রয়োজনীয় বাসনপত্রের তালিকা আলাদা করে দেওয়া থাকে, ফলে দেশের বাজার থেকেই রান্নাটা সম্ভব হয়ে ওঠে।
উপকরণের বিকল্প দেওয়া আছে কি না, সেটা দেখে বই বাছুন।
ঘরে বসে নতুন স্বাদ পরখ করতে চাওয়া রাঁধুনি ও শৌখিন পাঠকের জন্য বইপোকার এই উপবিভাগটি সাজানো।
ভালো রেসিপি বইয়ে সাধারণত বিকল্প উপকরণের পরামর্শ দেওয়া থাকে—যেমন নির্দিষ্ট সসের বদলে ঘরোয়া মিশ্রণ বা স্থানীয় শাকসবজি। বই কেনার আগে দেখে নিন বিকল্পের তালিকা আছে কি না, তাহলে রান্না আটকে যাবে না।
অনূদিত বইয়ে পদ্ধতি বাংলায় ব্যাখ্যা করা থাকে বলে নতুন রাঁধুনির জন্য সুবিধাজনক। তবে উপকরণের ইংরেজি নাম বন্ধনীতে দেওয়া আছে কি না দেখে নেওয়া ভালো, কারণ বাজারে কেনার সময় সেই নামেই খুঁজতে হয়।
মূলত তিনটি—সঠিক আঁচ ব্যবহার, মেরিনেশনের সময় মেনে চলা এবং সস বা স্টক ঠিকভাবে বানানো। এই কৌশলগুলো আলাদা অধ্যায়ে ধাপে ধাপে শেখানো আছে এমন বই বেছে নিলে একটির পর একটি পদ সহজেই দাঁড়িয়ে যায়, আলাদা করে রেসিপি মুখস্থ করতে হয় না।