273টি পণ্য পাওয়া গেছে
রঙে হাত দেওয়ার আগে অনেকেই ভাবেন কোন মাধ্যম দিয়ে শুরু করবেন। জলরঙের স্বচ্ছ হালকা ভাব, অ্যাক্রিলিকের গাঢ় স্তর, নাকি পোস্টার কালারের ঝকঝকে সমতল রঙ—প্রতিটির নিজস্ব চরিত্র আছে।
এই বিভাগে সাজানো আছে অ্যাক্রিলিক, জলরঙ, পোস্টার ও গুয়াশ কালার, তেলরঙ, সেট ও একক টিউব, নানা আকারের ব্রাশ, প্যালেট ও প্যালেট নাইফ, ক্যানভাস বোর্ড ও রোল, ইজেল এবং মিডিয়াম-ভার্নিশ। স্কুলের আর্ট পরীক্ষা, কলেজের পোর্টফোলিও, ঘর সাজানোর ছবি বা শখের ক্যানভাস—সব ধরনের কাজের উপকরণ এখানে মেলে।
শুরু করার আগে যে কয়টি সিদ্ধান্ত নিতে হয়
প্রথমবার তুলি ধরা শিক্ষার্থী থেকে নিয়মিত ক্যানভাসে কাজ করা শিল্পী—সবার জন্য পেইন্টিংয়ের উপকরণ এনেছে বইপোকা।
অনেকের জন্যই অ্যাক্রিলিক শুরু করা সহজ, কারণ এটি পানিতে মেশে, দ্রুত শুকায় এবং ভুল হলে ওপরে আরেক স্তর দিয়ে ঠিক করে নেওয়া যায়। পোস্টার কালারও স্কুলের কাজে সুবিধাজনক। জলরঙ সুন্দর, তবে পানির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে কিছুটা অভ্যাস লাগে।
শুরুতে তিন-চারটি ব্রাশই যথেষ্ট—একটি চওড়া ফ্ল্যাট ব্রাশ ব্যাকগ্রাউন্ডের জন্য, একটি মাঝারি রাউন্ড সাধারণ কাজের জন্য এবং একটি খুব সরু ডিটেইল ব্রাশ। প্রয়োজনে একটি ফ্যান বা ফিলবার্ট যোগ করা যায়। ব্রাশের আঁশ নরম না শক্ত, সেটি মাধ্যম বুঝে বাছুন।
রঙ শুকিয়ে যাওয়ার আগেই ব্রাশ ধুয়ে ফেলুন, বিশেষ করে অ্যাক্রিলিকের ক্ষেত্রে, কারণ শুকিয়ে গেলে আঁশ শক্ত হয়ে যায়। ধোয়ার পর আঙুলে ডগা ঠিক করে শুইয়ে শুকাতে দিন। পানিভর্তি পাত্রে ব্রাশ খাড়া করে ডুবিয়ে রাখলে ডগা বেঁকে যায়, তাই সেটি এড়িয়ে চলুন।