13টি পণ্য পাওয়া গেছে
গৌয়াশকে অনেকে বলেন অস্বচ্ছ ওয়াটার কালার। পানিতেই গোলে, তুলিতেই চলে, কিন্তু শুকালে রং বসে যায় ঘন ও সমতল হয়ে—নিচের স্তর উঁকি দেয় না। ইলাস্ট্রেটর, গ্রাফিক ডিজাইনের শিক্ষার্থী আর যাঁরা ফ্ল্যাট, পরিষ্কার রঙের ব্লক পছন্দ করেন, তাঁদের হাতে এই মাধ্যমটি সবচেয়ে বেশি মানায়।
এই তাকে থাকে টিউবে ভরা ডিজাইনার গৌয়াশ, ছোট জারের সেট এবং প্রাথমিক শেডের বাক্স। বইয়ের প্রচ্ছদের স্টাডি, চরিত্র ডিজাইন, পোস্টার লেআউট, বোটানিক্যাল স্টাডি কিংবা স্কেচবুকের ভেতরে রঙিন নোট—সব জায়গাতেই গৌয়াশ মানিয়ে যায়। শুকানোর পর একটু হালকা দেখায়, তাই মিশিয়ে নেওয়ার সময় সামান্য গাঢ় রাখাই অভ্যাস করে নেওয়া ভালো। শুকিয়ে যাওয়া রং আবার পানি দিলে সক্রিয় হয়, ফলে প্যালেটে বাড়তি রং নষ্ট হয় না।
ভালো গৌয়াশ চেনার সহজ সূত্র:
ডিজাইনের শিক্ষার্থী, ফ্রিল্যান্স ইলাস্ট্রেটর ও নতুন মাধ্যম পরখ করতে চাওয়া আঁকিয়েদের জন্য গৌয়াশের সংগ্রহ গুছিয়ে রেখেছে বইপোকা।
মূল পদ্ধতি একই—পানিতে গুলে তুলিতে লাগাতে হয়। পার্থক্য ঘনত্বে। কম পানি মেশালে গৌয়াশ অস্বচ্ছ ও সমতল বসে, আর বেশি পানি মেশালে ওয়াটার কালারের মতো হালকা ওয়াশ পাওয়া যায়, ফলে এক টিউব দিয়েই দুই ধরনের কাজ চলে।
গৌয়াশে বাইন্ডার ও পিগমেন্টের অনুপাতের কারণে শুকালে গাঢ় শেড একটু হালকা ও হালকা শেড একটু গাঢ় দেখায়। তাই কাজের আগে আলাদা কাগজে এক টুকরো নমুনা লাগিয়ে শুকিয়ে দেখে নিলে চূড়ান্ত ছবিতে অবাক হতে হয় না।
মাঝারি থেকে বেশি জিএসএমের মসৃণ বা হালকা টেক্সচারের কাগজ ভালো কাজ করে। খুব রুক্ষ পৃষ্ঠে ফ্ল্যাট রঙের ভাব নষ্ট হয়। ইলাস্ট্রেশন বোর্ড বা হট প্রেস ওয়াটার কালার পেপারে গৌয়াশের ম্যাট পৃষ্ঠ সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন দেখায়।