14টি পণ্য পাওয়া গেছে
ছবি আঁকার কাজ শুধু রং আর তুলিতে শেষ হয় না। আঁকার আগে পৃষ্ঠ তৈরি করা, আঁকার সময় রঙের ঘনত্ব ও শুকানোর গতি নিয়ন্ত্রণ করা, আর শেষে ছবিটিকে ধুলা ও আঁচড় থেকে বাঁচানো—এই তিনটি ধাপের জন্য আলাদা আলাদা সহায়ক উপকরণ লাগে। এই বিভাগটি সেই কম আলোচিত কিন্তু জরুরি জিনিসগুলোর।
এখানে পাবেন সাদা ও স্বচ্ছ গেসো, যা ক্যানভাস, কাঠ বা হার্ডবোর্ডে এক-দুই কোট দিলে রং শোষণ কমে ও আঁকড়ে ধরে। আছে অ্যাক্রিলিকের জন্য গ্লস ও ম্যাট মিডিয়াম, শুকানো ধীর করার রিটার্ডার, টেক্সচার তৈরির মোটা পেস্ট, এবং তেলরঙের জন্য লিনসিড অয়েল ও পাতলা করার মাধ্যম। শেষ ধাপের জন্য রয়েছে ব্রাশে লাগানোর ও স্প্রে করার ভার্নিশ, যা রঙের উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনে এবং পৃষ্ঠে একটি সুরক্ষার স্তর তৈরি করে।
ব্যবহারের সহজ ক্রম মনে রাখুন:
যাঁরা ছবিকে দীর্ঘদিন ভালো রাখতে চান, সেই শিক্ষার্থী ও পেশাদার শিল্পীদের জন্য এই সহায়ক উপকরণগুলো এক তাকে গুছিয়ে রেখেছে বইপোকা।
গেসো হলো প্রাইমার। ক্যানভাস বা কাঠে এক-দুই কোট লাগালে পৃষ্ঠ রং শুষে নেওয়া বন্ধ করে, ফলে কম রঙে বেশি জায়গা ঢাকে এবং উজ্জ্বলতা বজায় থাকে। শুকানোর পর হালকা ঘষে নিলে পৃষ্ঠ মসৃণ হয় ও তুলির টান পরিষ্কার বসে।
মিডিয়াম রঙের পিগমেন্ট নষ্ট না করেই তার আচরণ বদলায়। গ্লস মিডিয়ামে চকচকে ভাব ও স্বচ্ছতা বাড়ে, ম্যাট মিডিয়ামে প্রতিফলন কমে, রিটার্ডার শুকানোর গতি কমিয়ে মিশ্রণের সময় বাড়ায়, আর টেক্সচার পেস্ট পৃষ্ঠে বাস্তব উঁচু-নিচু তৈরি করে।
ছবি সম্পূর্ণ শুকানোর পরই ভার্নিশ দিন। অ্যাক্রিলিকে কয়েক দিন অপেক্ষা করলেই চলে, তেলরঙে অনেক বেশি সময় লাগে। ভেজা অবস্থায় ভার্নিশ দিলে নিচের স্তর আটকে গিয়ে পরে ফাটল ধরতে পারে, তাই তাড়াহুড়ো না করাই ভালো।