27টি পণ্য পাওয়া গেছে
কাগজে আঁকার কথা উঠলে প্রথমেই আসে পানির রঙের নাম। ওয়াটার কালারে রং স্বচ্ছ থাকে, কাগজের সাদা অংশটুকু ছবির ভেতরে আলো হয়ে থেকে যায়। আর পোস্টার কালার অস্বচ্ছ ও ঘন, শুকালে সমতল ম্যাট আভা দেয়। স্কুলের আর্ট পরীক্ষা, চার্ট পেপারের প্রজেক্ট, ওয়াল ম্যাগাজিন কিংবা ঘরে বসে ল্যান্ডস্কেপ অনুশীলন—দুই রঙেরই আলাদা জায়গা আছে।
সংগ্রহে রয়েছে ছোট ছোট কেকের বক্স, ঢাকনায় প্যালেটসহ প্যান সেট, নরম টিউবের ওয়াটার কালার এবং স্কুল প্রজেক্টে বহুল ব্যবহৃত পোস্টার কালারের বোতল ও জার। ওয়াশ, গ্রেডিয়েন্ট, ওয়েট-অন-ওয়েট কিংবা ড্রাই ব্রাশ—প্রতিটি কৌশলের জন্যই আলাদা ঘনত্বের রং বেছে নেওয়া যায়। মোটা, বেশি জিএসএমের কাগজে কাজ করলে পানি টানলেও কাগজ কুঁচকে যায় না।
বেছে নেওয়ার সময় মনে রাখুন:
স্কুলপড়ুয়া থেকে শুরু করে নিয়মিত স্কেচবুক ভরানো আঁকিয়ে—সবার জন্য পানির রঙের সাজানো তাক পাবেন বইপোকায়।
ওয়াটার কালার স্বচ্ছ, নিচের স্তর ও কাগজের সাদা অংশ দেখা যায়, তাই হালকা ওয়াশ ও আবহ তৈরিতে ভালো। পোস্টার কালার অস্বচ্ছ ও ঘন, শুকিয়ে সমতল ম্যাট পৃষ্ঠ দেয়, তাই চার্ট, ব্যানার ও ফ্ল্যাট ডিজাইনের কাজে বেশি ব্যবহৃত হয়।
কেক ও প্যান সেট বহনে হালকা, ঢাকনাই প্যালেট হিসেবে কাজ করে, তাই ক্লাস ও আউটডোর স্কেচে সুবিধাজনক। টিউবের রং ঘন ও বেশি পরিমাণে বের করা যায়, বড় কাগজে ওয়াশ দিতে বা গাঢ় রং লাগাতে টিউবই বেশি কার্যকর।
পাতলা কাগজে পানি পড়লে কুঁচকে যায় ও রং ছড়িয়ে পড়ে। তাই বেশি জিএসএমের ওয়াটার কালার পেপার বা মোটা কার্ট্রিজ পেপার বেছে নিন। টেক্সচারযুক্ত পৃষ্ঠ পানি ধরে রাখে, ফলে ওয়াশ সমান বসে এবং শুকানোর পর দাগ কম পড়ে।