32টি পণ্য পাওয়া গেছে
রং যত ভালোই হোক, তুলি ঠিক না হলে টানটাই ঠিক আসে না। ব্রাশের আকার, আগার গড়ন আর লোমের ধরন—এই তিনটিই ঠিক করে দেয় আপনার রেখা সরু হবে না চওড়া, রং সমান বসবে না টেক্সচার তৈরি হবে। নতুন আঁকিয়ে থেকে অভিজ্ঞ শিল্পী, সবারই হাতের কাছে কয়েক ধরনের তুলি থাকা দরকার।
এই সংগ্রহে আছে সরু ডিটেইলের রাউন্ড, চওড়া ওয়াশের ফ্ল্যাট, নরম প্রান্তের ফিলবার্ট, টেক্সচারের জন্য ফ্যান এবং কোণার কাজের অ্যাঙ্গেল ব্রাশ। পানির রঙের জন্য নরম সিনথেটিক বা প্রাকৃতিক লোম, আর অ্যাক্রিলিক-তেলরঙের জন্য শক্ত ব্রিসল—দুই ধরনের সেটই আলাদা করে সাজানো। সঙ্গে রয়েছে প্যালেট নাইফ, স্পঞ্জ, স্পঞ্জ রোলার, ব্রাশ ওয়াশার ও মিশ্রণের প্যালেটের মতো সহায়ক টুল, যেগুলো ছাড়া কাজের গতি কমে যায়।
তুলি বাছাইয়ের ব্যবহারিক নিয়ম:
আর্ট ক্লাসের শিক্ষার্থী, ক্রাফট নিয়ে মেতে থাকা শখের মানুষ আর পেশাদার শিল্পী—সবার হাতের মাপে তুলি ও টুল পাবেন বইপোকায়।
তিন থেকে চারটি ব্রাশেই বেশিরভাগ কাজ চলে যায়—একটি ছোট রাউন্ড ডিটেইলের জন্য, একটি মাঝারি রাউন্ড সাধারণ কাজে, একটি চওড়া ফ্ল্যাট পটভূমির জন্য এবং একটি ফিলবার্ট নরম প্রান্তের মিশ্রণে। প্রয়োজন বুঝে পরে যোগ করা যায়।
সম্ভব হলে আলাদা রাখাই ভালো। অ্যাক্রিলিক ঘন ও দ্রুত শুকায়, লোমের গোড়ায় জমে গিয়ে ব্রাশ শক্ত করে দেয়। পানির রঙের নরম তুলি সেই চাপে আগা হারায়। অ্যাক্রিলিক ও তেলরঙের জন্য শক্ত ব্রিসলের আলাদা সেট রাখুন।
কাজ শেষে রং শুকানোর আগেই ধুয়ে ফেলুন, গোড়ায় রং জমতে দেবেন না। লোম আঙুলে চেপে আগা ঠিক করে নিন এবং শুইয়ে বা আগা উপরে রেখে শুকান। ভেজা অবস্থায় পানির পাত্রে খাড়া করে রেখে দিলে আগা বেঁকে স্থায়ীভাবে নষ্ট হয়ে যায়।