51টি পণ্য পাওয়া গেছে
যাঁরা নিয়মিত তেলরঙে কাজ করেন, তাঁদের সেটের সব শেড সমান হারে ফুরোয় না। সাদা শেষ হয়ে যায় সবার আগে, তারপর আর্থ টোন আর প্রিয় নীল-সবুজগুলো। পুরো বাক্স আবার না কিনে শুধু দরকারি টিউবটি ভরে নেওয়ার জন্যই এই বিভাগ।
এখানে শেড ধরে ধরে একক টিউব সাজানো আছে—টাইটেনিয়াম হোয়াইট, আইভরি ব্ল্যাক, ইয়েলো ওকার, বার্ন্ট সিয়েনা, আলট্রামেরিন, ভিরিডিয়ান ধরনের চেনা রং থেকে শুরু করে কম ব্যবহৃত বিশেষ শেড পর্যন্ত। টিউবের আয়তনেও বৈচিত্র্য আছে—ছোট টিউব অল্প ব্যবহারের জন্য, আর যেসব রং আন্ডারপেইন্টিং ও মিশ্রণে বেশি লাগে সেগুলোর বড় টিউব। পোর্ট্রেট, স্টিল লাইফ, ল্যান্ডস্কেপ বা ইমপাস্টো—কাজের ধরন বুঝে নিজের প্যালেট নিজেই গড়ে তোলা যায় এভাবে।
একক টিউব কেনার আগে দেখে নিন:
ফাইন আর্টসের শিক্ষার্থী, স্টুডিওতে কাজ করা শিল্পী কিংবা তেলরঙে সদ্য হাত পাকানো আঁকিয়ে—সবাই নিজের মতো করে টিউব বেছে নিতে পারেন বইপোকায়।
সাদা সবচেয়ে দ্রুত ফুরোয়, কারণ প্রায় সব মিশ্রণেই লাগে। এর পরে থাকে আর্থ টোন—ইয়েলো ওকার, বার্ন্ট সিয়েনা—এবং আকাশ ও ছায়ার কাজে ব্যবহৃত নীল। এগুলো বড় টিউবে রাখলে মাঝপথে কাজ থেমে যাওয়ার আশঙ্কা কমে।
বেশিরভাগ টিউবের গায়ে ছোট বর্গক্ষেত্রের চিহ্ন থাকে—ফাঁকা মানে স্বচ্ছ, ভরাট মানে অস্বচ্ছ। স্বচ্ছ শেড পাতলা স্তরে গ্লেজিংয়ের জন্য ভালো, আর অস্বচ্ছ শেড নিচের রং ঢেকে দেয়, তাই হাইলাইট ও সংশোধনের কাজে ব্যবহার হয়।
একই ধরনের তেলরং সাধারণত একসঙ্গে মেশানো যায়। তবে ভিন্ন গ্রেডের রঙে বাইন্ডার ও পিগমেন্টের অনুপাত আলাদা হতে পারে, তাই বড় ক্যানভাসে লাগানোর আগে প্যালেটে অল্প পরিমাণে মিশিয়ে ঘনত্ব ও শুকানোর আচরণ দেখে নেওয়া ভালো।