130টি পণ্য পাওয়া গেছে
ব্যাগের পকেটে, শার্টের বুকপকেটে কিংবা টেবিলের ড্রয়ারে—বলপয়েন্ট কলম সবখানেই থাকে। ঘন তেলভিত্তিক কালি আর ঘূর্ণায়মান ছোট বলের কারণে এটি সহজে শুকিয়ে যায় না এবং দীর্ঘদিন ফেলে রাখলেও সাধারণত চলে, তাই দৈনন্দিন লেখার ভরসা হিসেবে এর জুড়ি কম।
এই সংগ্রহে রয়েছে সাধারণ ক্যাপযুক্ত কলম, টিপে খোলা রিট্র্যাক্টেবল মডেল, রাবার গ্রিপযুক্ত সংস্করণ এবং ধাতব বডির উপহারযোগ্য কলম। নিবের মাপ মেলে শূন্য দশমিক পাঁচ থেকে এক মিলিমিটার পর্যন্ত, আর কালিতে নীল, কালো, লাল ও সবুজ। খসখসে কাগজে, কার্বন কপিতে বা ফর্ম পূরণে এই কলম বিশেষভাবে কাজের, কারণ চাপ দিয়ে লিখলেও কালি ছড়ায় না এবং নিচের পাতায় ছাপ পড়ে।
হাতের চাপ কেমন আর কাগজ কতটা মসৃণ—এই দুটি দেখে নিব বাছুন।
শিক্ষার্থী, অফিসকর্মী, সাংবাদিক ও দোকানের হিসাবরক্ষক—সবার দৈনন্দিন লেখার জন্য বলপয়েন্টের সারি সাজিয়েছে বইপোকা।
সাধারণত হ্যাঁ। বলপয়েন্টের কালি তেলভিত্তিক ও ঘন, প্রতিবার লেখায় কম কালি বের হয়, তাই একটি রিফিল অনেক বেশি লেখা দেয়। জেল কলমের কালি পানিভিত্তিক ও পাতলা হওয়ায় লেখা মসৃণ হলেও রিফিল তুলনামূলক দ্রুত ফুরায়।
নিবের মুখে জমে থাকা শুকনো কালিই বেশিরভাগ সময় কারণ। কাগজে কয়েকবার গোল দাগ কাটুন বা নিবটি নরম কাগজে ঘষে নিন। তাতেও না হলে রিফিলের ভেতরে বাতাসের বুদবুদ থাকতে পারে; কলমটি নিব নিচের দিকে রেখে কিছুক্ষণ রাখলে অনেক সময় ঠিক হয়ে যায়।
ছোট ছকে লেখা বা সূক্ষ্ম হাতের লেখার জন্য শূন্য দশমিক পাঁচ থেকে শূন্য দশমিক সাত মিলিমিটার উপযুক্ত। দ্রুত ও বড় হাতে লিখলে এক মিলিমিটার নিব বেশি আরামদায়ক, দাগও গাঢ় দেখায়। কাগজ খসখসে হলে একটু মোটা নিবেই লেখা সহজে চলে।