0টি পণ্য পাওয়া গেছে
কোনো পণ্য পাওয়া যায়নি।
ব্যাগে চার-পাঁচটা কলম না রেখে একটিতেই কাজ সারা যায় কি না—এই ভাবনা থেকেই মাল্টিকালার ও মাল্টিফাংশন কলমের জন্ম। আর ইরেজেবল কলম এসেছে আরেক দরকার থেকে: কালিতে লেখার পরও ভুল শুধরে নেওয়ার সুযোগ।
এই বিভাগে মিলবে এক দেহে দুই, তিন বা চার রঙের বলপয়েন্ট, কলম ও মেকানিক্যাল পেনসিল একসঙ্গে থাকা মাল্টিফাংশন মডেল, কোনো কোনোটিতে স্টাইলাস টিপও যুক্ত থাকে। ইরেজেবল সংস্করণে তাপসংবেদী কালি ব্যবহৃত হয়—পেছনের রাবার ঘষলে ঘর্ষণের তাপে দাগ মিলিয়ে যায়, কাগজে ছেঁড়াছেঁড়ির দাগ পড়ে না। নোট চিহ্নিত করা, সংশোধনসহ খসড়া, পরিকল্পনার ছক কিংবা ক্লাসের রঙিন নোট—সব জায়গাতেই এগুলো কাজে লাগে।
সুবিধা যেমন আছে, তেমনি কিছু সীমাবদ্ধতাও জেনে রাখা দরকার।
ক্লাসের নোট গোছানো শিক্ষার্থী, পরিকল্পনাকারী ও রঙিন চিহ্ন পছন্দ করা পাঠকদের জন্য এই কলমগুলো রেখেছে বইপোকা।
এতে তাপসংবেদী কালি ব্যবহার করা হয়। কলমের পেছনের বিশেষ রাবার কাগজে ঘষলে ঘর্ষণে তাপ তৈরি হয় এবং নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কালির রং স্বচ্ছ হয়ে যায়। সাধারণ রাবারের মতো এতে কাগজ ঘষে ওঠে না, তাই পাতা পরিষ্কার থাকে।
চলবে না। যেহেতু লেখা তাপে মিলিয়ে যেতে পারে, গরমে গাড়িতে রাখা বা ইস্ত্রির তাপ লাগা কাগজে লেখা হারিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। চুক্তি, দরখাস্ত, পরীক্ষার খাতা বা যেকোনো স্থায়ী নথিতে সাধারণ বলপয়েন্ট বা জেল কলম ব্যবহার করুন।
এসব কলমে সাধারণত ছোট আকারের বিশেষ রিফিল লাগে, যা সাধারণ কলমের রিফিলের চেয়ে সরু ও খাটো। ব্যারেল খুলে পুরোনো রিফিলের গায়ে লেখা সংকেত ও দৈর্ঘ্য মিলিয়ে নিন। পেনসিল অংশটির জন্য আলাদা মাপের লিডও দরকার হয়, সেটিও দেখে নিন।