70টি পণ্য পাওয়া গেছে
ছোটদের প্রথম ছবি আঁকা হোক কিংবা বড়দের মনোযোগী স্কেচ, রঙ পেনসিল হাতে নিলে কাজটা সহজ হয়ে যায়—জল লাগে না, শুকানোর অপেক্ষা নেই, আর ভুল হলে হালকা দাগ মুছেও নেওয়া যায়। এই বিভাগে সেই রঙিন ও বিশেষ ধরনের পেনসিলই একসঙ্গে রাখা হয়েছে।
সংগ্রহে মিলবে মোমভিত্তিক ও তেলভিত্তিক রঙ পেনসিলের সেট, জল বুলিয়ে জলরঙের মতো প্রভাব তৈরি করা ওয়াটার কালার পেনসিল, গাঢ় ছায়ার জন্য চারকোল ও গ্রাফাইট পেনসিল, ধাতব ও প্যাস্টেল শেড, ছোটদের মোটা ব্যারেলের জাম্বো পেনসিল এবং কাচ, কাপড় বা কাঠে দাগ দেওয়ার মার্কিং পেনসিল। সেটের আকারে ভিন্নতা আছে—বারো রঙের ছোট বাক্স থেকে শুরু করে বহু শেডের বড় সংগ্রহ পর্যন্ত।
কাগজের মান আর রঙের ভিত্তি—ছবির চেহারা এই দুটোতেই বদলে যায়।
শিশু, শখের শিল্পী, শিক্ষার্থী ও নকশার কাজে যুক্ত মানুষদের জন্য রঙিন পেনসিলের ভাণ্ডার সাজিয়েছে বইপোকা।
মোমভিত্তিক রং নরম, দ্রুত বড় জায়গা ভরাট করে এবং দেখতে উজ্জ্বল লাগে, তাই ছোটদের ছবির জন্য ভালো। তেলভিত্তিক রং তুলনায় শক্ত, ধার বেশিক্ষণ ধরে রাখে এবং স্তরে স্তরে রং বসিয়ে মেশানো যায়, তাই বিস্তারিত স্কেচে বেশি উপযোগী।
প্রথমে সাধারণ রঙ পেনসিলের মতোই কাগজে রং বসান, এরপর ভেজা নরম তুলি দিয়ে হালকা করে বুলিয়ে দিন—রং গলে জলরঙের মতো ছড়িয়ে যায়। ভারী ও মোটা কাগজ ব্যবহার করুন এবং তুলিতে অতিরিক্ত পানি না নেওয়াই ভালো, নইলে পাতা কুঁচকে যায়।
ছোটদের জন্য মোটা ও ত্রিভুজাকার ব্যারেলের জাম্বো পেনসিল সবচেয়ে সুবিধাজনক, কারণ ধরতে আরাম হয় ও সহজে গড়িয়ে পড়ে না। বারো বা চব্বিশ রঙের সেট দিয়েই শুরু করা যায়। নরম লিডের পেনসিল নিন, তাতে কম চাপেই রং বসে এবং লিড কম ভাঙে।