63টি পণ্য পাওয়া গেছে
যাঁদের হাতের লেখা সুন্দর দেখাতে হয়, কিংবা যাঁরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা নোট তোলেন, তাঁদের বেশিরভাগই জেল কলমের দিকে ঝোঁকেন। জেল কালি পানিভিত্তিক ও ঘন রঞ্জকে ভরা, তাই কম চাপেই কলম চলে আর অক্ষর দেখায় গাঢ় ও পরিষ্কার।
এই বিভাগে রয়েছে ক্যাপযুক্ত ও রিট্র্যাক্টেবল দুই ধরনের মডেল, শূন্য দশমিক পাঁচ, শূন্য দশমিক সাত ও এক মিলিমিটার নিব, আর কালো-নীলের বাইরে লাল, সবুজ, বেগুনি থেকে শুরু করে প্যাস্টেল, ধাতব ও গ্লিটার শেড। নোট সাজাতে, ডায়েরি লিখতে, জার্নাল বা হাতে লেখা কার্ড বানাতে রঙিন জেল কলম বিশেষভাবে জনপ্রিয়। অনেক মডেলে নরম গ্রিপ ও স্বচ্ছ ব্যারেল থাকে, ফলে কালি কতটা বাকি আছে তা চোখেই দেখা যায়।
জেল কলমে ভালো ফল পেতে কাগজের মান আর শুকানোর সময়টুকু খেয়াল রাখুন।
নোটপ্রেমী শিক্ষার্থী, জার্নাল লেখক ও পরিপাটি লেখা পছন্দ করা অফিসকর্মীদের জন্য জেল কলমের বাছাই রেখেছে বইপোকা।
জেল কালি পানিভিত্তিক হওয়ায় বলপয়েন্টের চেয়ে শুকাতে সামান্য বেশি সময় নেয়, বিশেষত মোটা নিবে। বাঁহাতে লিখলে বা দ্রুত পাতা উল্টালে দ্রুত-শুষ্ক মডেল বেছে নিন এবং সূক্ষ্ম নিব ব্যবহার করুন, তাতে লেপ্টে যাওয়ার আশঙ্কা অনেক কমে।
সাধারণত কালো বা নীল কালির জেল কলম ব্যবহারে বাধা থাকে না এবং লেখা গাঢ় দেখায় বলে অনেকে পছন্দও করেন। তবে নিজের প্রতিষ্ঠানের নির্দেশনা মিলিয়ে নিন, আর হাতে একটির বেশি কলম রাখুন, কারণ জেল রিফিল তুলনামূলক দ্রুত ফুরাতে পারে।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নিবের মুখে কালি শুকিয়ে যাওয়া বা রিফিলে বাতাস ঢোকার কারণে এমন হয়। কলমটি নিব নিচের দিকে ধরে কয়েকবার ঝাঁকিয়ে নিন, নরম কাগজে কিছু দাগ কাটুন। ব্যবহারের পর ক্যাপ ঠিকমতো লাগালে বা নিব ভেতরে ঢুকিয়ে রাখলে সমস্যা কমে।