50টি পণ্য পাওয়া গেছে
ব্যাগে ভরে কাগজ নিয়ে বেরোনোর সময় সবচেয়ে বড় ভয় থাকে দুটো — কাগজ ভাঁজ হয়ে যাওয়া আর বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়া। হালকা অথচ আঁটসাঁট এই ফাইলগুলো ঠিক সেই সমস্যারই সহজ সমাধান, তাই ছাত্র থেকে ফিল্ড অফিসার পর্যন্ত সবাই এগুলো খোঁজেন।
এই বিভাগে থাকে প্লাস্টিক বোতাম আটকানো বাটন ফাইল, সুতা পেঁচিয়ে বন্ধ করার স্ট্রিং টাই ফাইল, চেইন টানা ওয়াটার-রেজিস্ট্যান্ট জিপ ব্যাগ ফাইল, মেশ বা জালি নকশার স্বচ্ছ পাউচ এবং এ-ফোর ও এফ-সি মাপের হ্যান্ডেলসহ ফাইল ব্যাগ। কারও লাগে পরীক্ষার প্রবেশপত্র ও প্রশংসাপত্র বহনে, কারও লাগে ব্যাংকের কাগজ, দরপত্রের নথি বা প্রকল্পের রসিদ এক সঙ্গে গুছিয়ে রাখতে। রঙভিত্তিক আলাদা ফাইল রাখলে বিষয় মনে রাখাও সহজ হয়।
এখানে মূল বিবেচ্য হলো বন্ধ করার ব্যবস্থা আর প্লাস্টিকের পুরুত্ব।
ক্লাসে-কোচিংয়ে ছোটা শিক্ষার্থী, চাকরিপ্রার্থী আর মাঠে কাজ করা কর্মীদের জন্য বইপোকার এই সংগ্রহটি বেশ কাজে লাগে।
প্রতিদিন কাগজ ঢোকানো-বের করার কাজ হলে জিপ ফাইল বেশি টেকে, কারণ চেইন ভালোভাবে বন্ধ হয় এবং কাগজ পিছলে পড়ে না। মাঝে মাঝে ব্যবহারে বাটন ফাইলই যথেষ্ট, দামেও সাশ্রয়ী। তবে বাটনের অংশ পাতলা হলে টান পড়ে ছিঁড়ে যেতে পারে, তাই পুরু শিটের ফাইল বেছে নিন।
চারপাশ বন্ধ থাকে এমন জিপ ফাইল বা ওয়াটার-রেজিস্ট্যান্ট পাউচ বৃষ্টির দিনে সবচেয়ে নিরাপদ, কারণ চেইন টেনে দিলে পানি ঢোকার পথ থাকে না। স্ট্রিং টাই ফাইলে ওপরের দিক খোলা থাকে বলে ভেজা ব্যাগে রাখলে কাগজের কিনারা স্যাঁতসেঁতে হয়ে যেতে পারে।
সাধারণ পড়াশোনা ও অফিসের কাগজের জন্য এ-ফোর মাপ যথেষ্ট। তবে বাংলাদেশে অনেক সরকারি ও ব্যাংকের ফরম এফ-সি বা লিগ্যাল মাপে হয়, সেগুলো এ-ফোর ফাইলে ভাঁজ করতে হয়। নানা ধরনের কাগজ রাখলে এফ-সি মাপ নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।