3টি পণ্য পাওয়া গেছে
সব কাগজ এক গাদায় রাখলে দরকারের সময় খুঁজে পাওয়া যায় না। মাসভিত্তিক বিল, বিষয়ভিত্তিক নোট কিংবা মক্কেলভিত্তিক নথি — এগুলো আলাদা খোপে থাকলে জীবন অনেক সহজ হয়ে যায়। ভাঁজ খুলে চওড়া হওয়া এই ফাইলগুলো ঠিক সেই ভাগ করে রাখার কাজটাই করে।
এই বিভাগে আছে ছয় থেকে তেরো, চব্বিশ বা তারও বেশি পকেটের অ্যাকর্ডিয়ন ফাইল, ইলাস্টিক বা বাটনে বন্ধ হওয়া সংস্করণ, হ্যান্ডেলসহ বহনযোগ্য এক্সপ্যান্ডিং ব্যাগ, পকেটের মুখে লেখার জন্য ইনডেক্স ট্যাব বা লেবেল স্টিকার, এবং এ-ফোর ও এফ-সি দুই মাপের নকশা। আয়কর নথি, ইউটিলিটি বিল, শিক্ষার্থীর বিষয়ভিত্তিক শিট, হাসপাতালের পুরনো রিপোর্ট কিংবা ছোট ব্যবসার চালান রাখতে এগুলো খুব কাজে আসে।
পকেট কয়টি লাগবে সেটা আগে ঠিক করুন, তারপর আঁটসাঁট মুখ আর বহনের সুবিধা দেখুন।
করদাতা, ফ্রিল্যান্সার, উকিলের সহকারী আর পরীক্ষার্থী — যাঁদের কাগজ ভাগ করে রাখতে হয়, বইপোকার এই সংগ্রহ তাঁদের জন্য।
কাজের ধরন দেখে ঠিক করুন। মাসভিত্তিক বিল বা হিসাব রাখলে বারো-তেরো পকেট আদর্শ, কারণ প্রতি মাসের জন্য একটি খোপ থাকে। বিষয়ভিত্তিক পড়াশোনার জন্য ছয় থেকে আট পকেটই যথেষ্ট। বহু মক্কেল বা বহু প্রকল্পের নথি রাখলে চব্বিশ বা তার বেশি পকেটের ফাইল নিন।
হ্যাঁ, বিশেষ করে ইলাস্টিক বা বাটনে বন্ধ হওয়া নকশাগুলো, কারণ মুখ আটকে দিলে ঝাঁকুনিতেও কাগজ বেরোয় না। নিয়মিত বাইরে নিতে হলে হ্যান্ডেলসহ এক্সপ্যান্ডিং ব্যাগ নিন। তবে ধারণক্ষমতার বেশি ভরলে ভাঁজের অংশে চাপ পড়ে এবং ফাইলটি ঠিকমতো বন্ধ হয় না।
অনেক ফাইলের সঙ্গেই ইনডেক্স ট্যাব বা লেবেল স্টিকারের শিট দেওয়া থাকে, সেখানে বিষয় বা মাসের নাম লিখে নির্দিষ্ট পকেটে বসিয়ে দিন। না থাকলে আলাদা লেবেল স্টিকার ব্যবহার করা যায়। পেন্সিলে নয়, স্থায়ী কালির কলমে লিখলে লেখা বহুদিন পড়া যায়।