সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় মর্গের পাশে একটা ঘর তোলা হবে। আর সিদ্ধান্তটা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নেয় না; নেয় সন্ত্রাসী কাশেম। ঘাড় কেটে মানুষ হত্যা করে বলে লোকজন যাকে চেনে ‘ঘাড়কাটা কাশেম’ নামে। কিন্তু মর্গে তার কী কাজ? কেন সে কেবল গভীররাতেই মর্গে ঢোকে? মর্গের রাত্রিকালীন পাহারাদার মোজাম্মেল। মুক্তা নামের এক গার্মেন্টস-কর্মীকে যে ভালোবাসে পাগলের মতো। তারা ঠিক করে বিয়ে করবে। তারপর যখন বিয়ের দিন-ক্ষণ ঘনিয়ে আসে, তখনই ঘটে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা। কী সেই ঘটনা? একটা মাথাবিহীন লাশ ঢোকে মর্গে। যুবতীর লাশ। কাশেম উতলা হয়ে যায় লাশটির কাছে যাওয়ার জন্য। কিন্তু যুবতীদের লাশের প্রতি কেন তার এত আকর্ষণ? আর লাশটিই বা কার? মুক্তার? নাকি অন্য কারো? কেন এই লাশকে ঘিরে ঘটে হত্যা আর আত্মহত্যার ঘটনা?