ইকবাল খন্দকারের ভৌতিক উপন্যাস 'ছমছমে পিশাচবাড়ি' শুরু হয় এক গ্রামীণ বাড়ির রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে। গল্পের কাকা গভীর রাতে কারও ডাক শুনে বাইরে বেরিয়ে আসেন, অথচ সেখানে কেউ নেই। আরেক রাতে খাটের নিচ থেকে ভেসে আসে চাপা কান্না, আর নিচু হয়ে তাকানোর পর যা চোখে পড়ে, তাতে তিনি ছুটে গিয়ে উঠানে লুটিয়ে পড়েন।
রহস্যের সূত্র ধরে সামনে আসেন মুয়াজ্জিন সাহেব, যিনি খোঁজ দেন মুখপোড়া পিশাচদের দখলে থাকা এক বাড়ির। পিশাচদের মুখ পুড়ল কীভাবে, সেই পুরোনো ইতিহাসের খোঁজে তিনি এক রাতে পা রাখেন পালবাড়ির দেড়শো বছরের পুরোনো শ্মশানে।
একশো বিশ পৃষ্ঠার এই উপন্যাস প্রশ্নের পর প্রশ্ন জাগিয়ে পাঠককে শেষ পর্যন্ত টেনে রাখে। গ্রামবাংলার আবহে লেখা ভূত-পিশাচের কাহিনি যাঁদের প্রিয়, তাঁদের জন্য এটি জমজমাট সঙ্গী।