ইকবাল খন্দকারের ‘লঞ্চঘাটের পেতাত্মা’ পাঠককে নিয়ে যায় নদীতীরের এক প্রাচীন ঘাটে, যার অতীত রক্ত আর আতঙ্কে মোড়া। ঘাটের গা ঘেঁষে দাঁড়িয়ে আছে আবাসিক হোটেল মায়া মঞ্জিল, যাকে লোকে ভুতুড়ে বলেই জানে, কারণ সেখানকার একটি ঘরে মিলেছিল মালিকের সন্তানের মৃতদেহ।
এরপর একের পর এক অস্বাভাবিক ঘটনা: ছাদ থেকে পড়ে একজনের মৃত্যু, আঁধারে মুখ লুকিয়ে ফটকের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা রহস্যময় ছায়ামূর্তি। আয়নাল সরদার নামের একজন বলে বেড়ান, এই বাড়িতে নাকি অতৃপ্ত আত্মারা আসর জমায়। লোকটির আসল পরিচয় কী, ঘাটের ইতিহাসের সঙ্গে এসব ছায়ার যোগ কোথায়, আর তালা দেওয়া ভবনে গভীর রাতে পাহারাদারকে ডেকে নেয় কোন অদৃশ্য কণ্ঠ, এসব প্রশ্নের জট খুলতে খুলতেই কাহিনি এগোয়।
১১৮ পৃষ্ঠার হার্ডকভার বইটি ২০২১ সালে প্রকাশিত। রাত জেগে গা ছমছমে গল্প পড়তে যাঁরা ভালোবাসেন এবং ভয়ের সঙ্গে রহস্যের জট খোলার আনন্দ চান, তাঁদের জন্য এটি জমজমাট পাঠ।