ইকবাল খন্দকারের ভৌতিক উপন্যাস ‘মধ্যরাতের প্রেতাত্মা’ শুরু থেকেই পাঠককে টেনে নেয় অন্ধকার এক গ্রামীণ আবহে, যেখানে রাত নামলেই অশরীরী কিছু একটা সক্রিয় হয়ে ওঠে। মাঝরাতে দীপনকে বিছানা থেকে তুলে নিয়ে আমগাছের নিচে রেখে আসে কেউ, উদ্দেশ্য তার রক্ত। নিখোঁজ আবদুল আলীর খোঁজ মেলে বনের এক উঁচু ডালে, অথচ সন্দেহ জাগে—ওটা কি আদৌ সে?
এরপর অশুভ ছায়া হানা দেয় জাহাঙ্গীর ভাইয়ের ওপর, শ্মশান পর্যন্ত গড়ায় সেই আতঙ্ক। বাহাদুর ভাইয়ের অভিজ্ঞতা আরও ভয়ংকর: হঠাৎ সামনে এক মৃতদেহ, আর চেনা শরাফত নানার রূপ ধরে কেউ তাঁকে রাতের অন্ধকারে ডেকে নিয়ে যায়। পরিণতি কী, সেই উত্তর লুকিয়ে আছে শেষ অধ্যায়ে।
১১২ পৃষ্ঠার এই হরর কাহিনি ভূতের গল্পপ্রেমী পাঠকের রাতের ঘুম কেড়ে নেওয়ার মতো।