‘দেবী চৌধুরাণী’ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়-এর লেখা চিরায়ত উপন্যাস। প্রকাশনার দায়িত্বে সালাউদ্দিন বইঘর। এর কলেবর ১১২ পৃষ্ঠা, হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: 1st Published, 2024।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলার নবজাগরণের অন্যতম দিশারি। বাঙালি যখন ইংরেজদের অনুকরণের মোহে আচ্ছন্ন ছিল, ইংরেজের কৃপা লাভই তার জীবনের পরমার্থ হয়ে উঠেছিল, সেই সময় বঙ্কিমচন্দ্র তাঁর অসামান্য প্রতিভা ও কর্মোদ্যোগকে নিয়োজিত করেছিলেন বাঙালির সমাজ ও জীবনকে নতুন করে জাগাতে । বাঙালির নবজাগরণের সাহিত্যই ছিল তাঁর প্রধান অবলম্বন ।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৩৮ সালের ২৬ জুন (১২৪৫ বঙ্গাব্দের ১৩ আষাঢ়) বর্তমান উত্তর চব্বিশ পরগনার নৈহাটির কাঁঠালপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন । তাঁর পিতার নাম যাদবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এবং মাতার নাম দুর্গাদেবী । যাদবচন্দ্র উচ্চপদস্থ সরকারি চাকুরে ডেপুটি কালেক্টরের পদে নিযুক্ত থাকায় সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত ছিলেন । গ্রামের পাঠশালায় বঙ্কিমচন্দ্রের বিদ্যাশিক্ষার সূচনা । এখানে কিছুদিন পড়াশোনার পর ছ'বছর বয়সে তিনি তাঁর পিতার কর্মস্থল মেদিনীপুরে গিয়ে ইংরেজি স্কুলে ভর্তি হন । তিনি ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র । ছাত্র হিসেবে তিনি যথেষ্ট কৃতিত্বের পরিচয় দেন । সে সময় থেকেই তিনি অনেকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন ।
১৮৪৯ সালে বঙ্কিমচন্দ্র মেদিনীপুর থেকে কাঁঠালপাড়ায় ফিরে আসেন । কিছুদিন বাড়িতে পড়াশোনার পর তিনি ভর্তি হন হুগলি মহসীন কলেজে । এই কলেজের বিভিন্ন বৃত্তি পরীক্ষায় তিনি প্রথম স্থান অধিকার করেন । ১৮৫৬ সালে তিনি আইন পড়ার জন্য ভর্তি হন কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে।
বিশেষ করে সাহিত্যপ্রেমী পাঠকদের জন্য বইটি কাজে লাগবে। অনলাইনে বইপোকা থেকে পেয়ে যাবেন।