প্রফুল্ল নামের এক সাধারণ মেয়ে কীভাবে হয়ে ওঠে দেবী চৌধুরাণী, আর তার পাশে থাকেন ভবানী পাঠক, এই আখ্যানে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় মিশিয়েছেন প্রেম, নাটকীয়তা আর দেশপ্রেমের আহ্বান। ১৮৮৪ সালে প্রকাশিত উপন্যাসটি ‘আনন্দমঠ’-এর পরের রচনা, যেখানে ব্যক্তিগত প্রবৃত্তি আর কর্তব্যের দ্বন্দ্বের পেছনে ধ্বনিত হয় ভারতের পুনর্জাগরণের ডাক।
ব্রিটিশ শাসনের নিপীড়নের বিপরীতে ভারতীয় নিষ্ঠা, সাধুতা ও নিঃস্বার্থতার মূল্যবোধ দাঁড় করানো হয়েছে এখানে। সশস্ত্র প্রতিরোধের ভাবনা প্রচারের অভিযোগে বইটি একসময় নিষিদ্ধও হয়েছিল, মুক্তি পায় স্বাধীনতার পর।
সাহিত্যসম্রাটের ইতিহাস-আশ্রিত রোমাঞ্চকর উপন্যাস, জাতীয়তাবাদের প্রথম দিকের সাহিত্য কিংবা শক্তিশালী নারীচরিত্রের গল্প খুঁজছেন? ১৫২ পৃষ্ঠার এই চিরায়ত উপন্যাস আপনার জন্য।