0টি পণ্য পাওয়া গেছে
কোনো পণ্য পাওয়া যায়নি।
চল্লিশের পর বইটা একটু দূরে সরিয়ে ধরতে শুরু করলে বোঝা যায়, চোখ কাছের লেখায় আর আগের মতো ফোকাস করছে না। রিডিং গ্লাসের এই উপবিভাগ সেই পাঠকদের জন্য, যাঁরা প্রিয় বইয়ের ছোট হরফ আবার আরামে পড়তে চান।
এখানে রাখা হয় নানা প্লাস পাওয়ারের তৈরি রিডিং গ্লাস, ভাঁজ করে পকেটে রাখার কম্প্যাক্ট ফ্রেম, নীল আলো ছেঁকে নেওয়ার আবরণযুক্ত কম্পিউটার-পড়ার চশমা, হালকা ধাতু ও টিআর ফ্রেমের ধরন, গলায় ঝোলানোর চেইন ও শক্ত কেস। রিডিং গ্লাস কেবল কাছের কাজে—বই, ফোন, সেলাই বা সূক্ষ্ম কাজ—দেখার জন্য; দূরের দৃষ্টি বা দুই চোখের আলাদা পাওয়ারের সমস্যার সমাধান নয়। কোন পাওয়ার আপনার চোখের জন্য ঠিক, তা নিশ্চিত হতে একজন যোগ্য চক্ষু বিশেষজ্ঞ বা অপটোমেট্রিস্টের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
রিডিং গ্লাস বাছাইয়ের আগে চোখ পরীক্ষা করিয়ে নেওয়াই সবচেয়ে বড় ধাপ।
মধ্যবয়সী ও বয়স্ক পাঠক, সূক্ষ্ম হাতের কাজ করা মানুষ কিংবা বাবা-মায়ের জন্য পড়ার আরাম খুঁজছেন যে সন্তান—চোখের যত্নের পরামর্শ মেনে রিডিং গ্লাস বাছাইয়ের জায়গা রেখেছে বইপোকা।
সবচেয়ে নিরাপদ উপায় একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞ বা অপটোমেট্রিস্টের কাছে চোখ পরীক্ষা করানো—তিনি পড়ার দূরত্ব অনুযায়ী সঠিক প্লাস পাওয়ার বলে দেবেন। বয়সের ওপর ভিত্তি করা সাধারণ তালিকা কেবল আনুমানিক ধারণা দেয়। ভুল পাওয়ারে মাথাব্যথা ও চোখের ক্লান্তি হতে পারে, তাই অনুমানে না কিনে পরীক্ষা করানোই ভালো।
তৈরি রিডিং গ্লাসে দুই চোখে একই প্লাস পাওয়ার থাকে এবং কেবল কাছের দেখার জন্য বানানো। দুই চোখে পাওয়ার আলাদা হলে, অ্যাস্টিগম্যাটিজম থাকলে বা দূরেও ঝাপসা দেখলে চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী বানানো চশমা দরকার। কোনটি আপনার জন্য, সেটি চোখ পরীক্ষার পরেই নিশ্চিত করে বলা যায়।
পর্দায় দীর্ঘ সময় পড়লে কিছু ব্যবহারকারী নীল আলো ছাঁকার আবরণে চোখে আরাম পান বলে জানান, তবে এর উপকার নিয়ে গবেষণায় মতভেদ আছে। ছাপা বই পড়ার জন্য এটি জরুরি নয়। পর্দার উজ্জ্বলতা কমানো, মাঝে মাঝে দূরে তাকানো এবং পর্যাপ্ত ঘরের আলো—এগুলো সব ক্ষেত্রেই চোখের চাপ কমাতে সাহায্য করে।