1টি পণ্য পাওয়া গেছে
ব্যাগে দশটা বই নিয়ে ঘোরার ভার ছাড়াই গোটা লাইব্রেরি সঙ্গে রাখার উপায় হলো ই-বুক রিডার। ফোনের পর্দার মতো চোখে চাপ না দিয়ে কাগজের মতো দেখায় এমন যন্ত্র খুঁজছেন যাঁরা, এই উপবিভাগ তাঁদের জন্য।
ই-বুক রিডার একটি হালকা হাতে ধরার যন্ত্র, যার পর্দা ই-ইঙ্ক বা ইলেকট্রনিক পেপার প্রযুক্তিতে তৈরি—রোদে ঝলসায় না, পেছন থেকে আলো না জ্বলায় চোখে চাপ কম পড়ে, আর এক চার্জে সপ্তাহ ধরে চলে। এখানে রাখা হয় নানা পর্দার মাপের রিডার, সামনে থেকে আলো দেওয়া ফ্রন্ট-লাইট মডেল, উষ্ণ আলো বদলানোর সুবিধাযুক্ত ধরন এবং সঙ্গে ব্যবহারের কভার ও স্ক্রিন প্রটেক্টর। কোন যন্ত্র কোন ফাইল ফরম্যাট পড়ে ও কোন ভাষার ফন্ট সমর্থন করে, সেটি নির্দিষ্ট মডেলের বিবরণে দেখে নেওয়া জরুরি।
ই-বুক রিডার বাছাইয়ে পর্দার মাপ, আলো আর ফাইল ফরম্যাট—এই তিনটিই মূল প্রশ্ন।
যাতায়াতের পথে পড়া পেশাজীবী, ঘরে জায়গা কম কিন্তু বইয়ের তালিকা লম্বা এমন পাঠক, কিংবা রাতে আলো না জ্বালিয়ে পড়তে চাওয়া কেউ—ডিজিটাল পড়ার যন্ত্র বাছাইয়ের জায়গা করে রেখেছে বইপোকা।
ই-বুক রিডারের পর্দা ই-ইঙ্ক প্রযুক্তির—কাগজের মতো দেখায়, রোদে পড়া যায়, পেছন থেকে আলো না জ্বলায় চোখে চাপ কম এবং ব্যাটারি সপ্তাহ ধরে চলে। ট্যাবলেটের রঙিন পর্দা ভিডিও ও ওয়েবের জন্য ভালো, কিন্তু দীর্ঘ পড়ায় চোখ ক্লান্ত হয় আর চার্জ দ্রুত শেষ হয়। শুধু পড়ার জন্য রিডারই মানানসই।
অনেক রিডারে বাংলা ইউনিকোড ফন্ট থাকে বা নিজে ফন্ট যোগ করার সুবিধা থাকে, তবে সব মডেলে নয়। বাংলা ইপাব বা পিডিএফ ফাইল সঠিকভাবে দেখাবে কি না তা যন্ত্রের সমর্থিত ফরম্যাট ও ফন্ট-তালিকায় নিশ্চিত করে নেওয়া জরুরি। পিডিএফ সাধারণত সব যন্ত্রে খোলে, কিন্তু ছোট পর্দায় পাতা জুম করতে হতে পারে।
ই-ইঙ্ক পর্দা শুধু পাতা বদলানোর সময় বিদ্যুৎ খরচ করে, তাই এক চার্জে দীর্ঘদিন চলে; ফ্রন্ট-লাইট কম রাখলে আরও বাড়ে। পর্দাটি কাচের নয়, চাপ বা আঘাতে ফাটতে পারে, তাই ব্যাগে নিলে কভার ব্যবহার করা ভালো। নরম শুকনো কাপড়ে মোছা যায়, রাসায়নিক তরল এড়িয়ে চলুন।