0টি পণ্য পাওয়া গেছে
কোনো পণ্য পাওয়া যায়নি।
ভারী পাঠ্যবই ঘণ্টার পর ঘণ্টা হাতে ধরে রাখলে কবজি ব্যথা করে, টেবিলে চেপে রাখলে পাতা উল্টে যায়। বুক স্ট্যান্ড এই দুই ঝামেলা একসঙ্গে মেটায়—বই দাঁড়িয়ে থাকে চোখের সমান্তরালে, দুই হাত থাকে নোট নেওয়ার জন্য খোলা।
উপবিভাগটিতে রাখা হয় ভাঁজ করা যায় এমন কাঠের বুক স্ট্যান্ড, কয়েক ধাপে কোণ বদলানোর ধাতব স্ট্যান্ড, হালকা প্লাস্টিকের ছাত্রপাঠ্য স্ট্যান্ড, কোলে বসিয়ে পড়ার কুশন-ভিত্তির ল্যাপ স্ট্যান্ড, রান্নাঘরে রেসিপি বই খোলা রাখার স্ট্যান্ড এবং ট্যাবলেট ও বই দুটোই ধরে এমন মিশ্র ধরন। বেশিরভাগ স্ট্যান্ডে পাতা আটকে রাখার ক্লিপ বা দুই পাশের বাহু থাকে, যাতে মোটা বই খোলা অবস্থায় বন্ধ হয়ে না যায়।
বই কত ভারী আর কোথায় বসে পড়েন—এই দুই প্রশ্নই বুক স্ট্যান্ড বাছাইয়ের ভিত্তি।
পরীক্ষার প্রস্তুতিতে থাকা শিক্ষার্থী, রেফারেন্স বই দেখে কাজ করা পেশাজীবী, রান্নার বই অনুসরণ করা কেউ কিংবা ঘাড়ের কষ্টে ভোগা পাঠক—সবার পড়ার কোণ ঠিক করে দেওয়া বুক স্ট্যান্ড রাখে বইপোকা।
বই টেবিলে সমতলে থাকলে মাথা নিচু করে পড়তে হয়, যা ঘাড়ের পেশিতে টান ধরায়। স্ট্যান্ডে বই হেলানো থাকলে চোখ সামান্য নিচে নামিয়েই পড়া যায়, মাথা সোজা থাকে। এতে অনেকের ঘাড় ও পিঠের চাপ কমে। তবে দীর্ঘ পড়ার সময় মাঝে মাঝে উঠে হাঁটা ও ভঙ্গি বদলানো সব ক্ষেত্রেই দরকারি।
ভারী বইয়ের জন্য চওড়া ও ভারী ভিত্তির স্ট্যান্ড দরকার, যাতে সামনে ঝুঁকে পড়ে না। নিচের ঠেকনা গভীর এবং পাতা আটকানোর ক্লিপ শক্ত হওয়া চাই, না হলে মোটা বই খোলা রাখা কঠিন। কাঠ বা মোটা ধাতুর স্ট্যান্ড এ কাজে ভালো; পাতলা প্লাস্টিকের হালকা স্ট্যান্ড ছোট বইয়ের জন্যই রাখা ভালো।
অনেক স্ট্যান্ড ট্যাবলেট ও পাতলা বই দুটোই ধরে, বিশেষত যেগুলোর নিচের ঠেকনা রাবারযুক্ত এবং কোণ বদলানো যায়। তবে ল্যাপটপের ওজন ও তাপ আলাদা বিষয়—বুক স্ট্যান্ড সে জন্য তৈরি হয় না। ট্যাবলেটে রাখার আগে যন্ত্রের পুরুত্ব স্ট্যান্ডের খাঁজে ঢোকে কি না দেখে নিন।