174টি বই পাওয়া গেছে
ক্যামেরা হাতে পাওয়ার পর সবচেয়ে বড় প্রশ্ন থাকে—ছবিটা ঠিক কেন ভালো হলো না। ফটোগ্রাফির বই সেই উত্তরটাই ধরিয়ে দেয়। শাটার, অ্যাপারচার আর আইএসও-র সম্পর্ক থেকে শুরু করে ফ্রেমে চোখ কোথায় যাবে, সবই ব্যাখ্যা করে। শখের আলোকচিত্রী, সাংবাদিকতার শিক্ষার্থী, কনটেন্ট নির্মাতা এবং পেশাদার হতে চাওয়া তরুণ—সবাই এই তাকের পাঠক।
বইগুলোতে পাওয়া যায় ক্যামেরার মৌলিক সেটিংস ও এক্সপোজার ত্রিভুজের ব্যাখ্যা, প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম আলোর ব্যবহার, কম্পোজিশনের নিয়ম ও তা ভাঙার কৌশল, পোর্ট্রেট, ল্যান্ডস্কেপ, স্ট্রিট, ওয়াইল্ডলাইফ ও খাবারের ছবি তোলার আলাদা পদ্ধতি, লেন্স নির্বাচন, মোবাইল ফটোগ্রাফির কৌশল, পোস্ট-প্রসেসিং ও এডিটিংয়ের ধাপ এবং আলোকচিত্রের ইতিহাস ও বিখ্যাত কাজ নিয়ে আলোচনা।
নিজের স্তর বুঝে বইটি বেছে নিন
ছবি তোলাকে শখ থেকে দক্ষতায় নিয়ে যেতে চাওয়া পাঠকদের জন্য বইপোকার ফটোগ্রাফি তাক সাজানো।
লাগবে। আলো, কম্পোজিশন, গল্প বলার ভঙ্গি ও বিষয় নির্বাচনের মূলনীতি যেকোনো ক্যামেরাতেই খাটে। এখন অনেক বইয়ে মোবাইল ফটোগ্রাফির আলাদা অধ্যায়ও থাকে। যন্ত্র বদলালেও এই ভিত্তিগুলো পরে পুরোপুরি কাজে আসে।
প্রথমে এক্সপোজার—অর্থাৎ শাটার স্পিড, অ্যাপারচার ও আইএসও কীভাবে একসঙ্গে কাজ করে, সেটি বোঝা দরকার। এরপর কম্পোজিশন ও আলো। এই দুটি ঠিক হলে ছবির মান নিজে থেকেই বদলে যায়। বিষয়ভিত্তিক কৌশল পরে যোগ করলেই চলে।
তোলা ছবির পুরো সম্ভাবনা বের করতে এডিটিংয়ের ভূমিকা বড়। আলাদা বইয়ে রঙ সংশোধন, কনট্রাস্ট, ক্রপ ও ফাইল ফরম্যাট নিয়ে বিস্তারিত থাকে। তবে অনেক সাধারণ ফটোগ্রাফি বইয়েও একটি অধ্যায় দেওয়া থাকে, যা শুরুর জন্য যথেষ্ট।