57টি বই পাওয়া গেছে
প্রথম রেখা টানার সাহসটুকু পেলে বাকিটা অভ্যাসের কাজ। ড্রয়িং, পেইন্টিং ও ডিজাইনের বইগুলো সেই সাহস জোগায়—কোন পেনসিল কোথায়, অনুপাত কীভাবে মাপতে হয়, রঙ মেশালে কী হয়, সবটাই হাতেকলমে দেখিয়ে দেয়। চারুকলার শিক্ষার্থী, স্কুলপড়ুয়া আঁকিয়ে, শখের চিত্রশিল্পী কিংবা ডিজাইনে ক্যারিয়ার গড়তে চাওয়া তরুণ—সবাই এই তাকে ভিড় করেন।
সংগ্রহে আছে পেনসিল স্কেচ ও শেডিংয়ের প্রাথমিক পাঠ, মানবদেহের অ্যানাটমি ও পোর্ট্রেট আঁকার নির্দেশিকা, পারস্পেকটিভ ও কম্পোজিশন, জলরং, তেলরং ও অ্যাক্রিলিকের কৌশল, ক্যালিগ্রাফি ও অক্ষরশিল্প, কার্টুন ও চরিত্র নকশা, রঙের তত্ত্ব, গ্রাফিক ডিজাইন ও টাইপোগ্রাফির মূলনীতি এবং শিল্প-ইতিহাস ও শিল্পীদের কাজ নিয়ে আলোচনার বই। কিছু বই শিশুদের জন্য, কিছু উন্নত স্তরের চর্চাকারীর জন্য।
আঁকা শেখার বই কেনার আগে যা দেখা দরকার
খাতার কোণে আঁকিবুঁকি করা থেকে শুরু করে গুছিয়ে শিল্পচর্চা—প্রতিটি ধাপের পাঠকের জন্য বইপোকার এই তালিকা।
প্রথমে মৌলিক আকৃতি, রেখা, অনুপাত ও শেডিং নিয়ে লেখা পেনসিল ড্রয়িংয়ের বই বেছে নিন। এতে হাত তৈরি হয় এবং পরে রঙে যাওয়া সহজ হয়। শুরুতেই পোর্ট্রেট বা অ্যানাটমির জটিল বই ধরলে হতাশা আসতে পারে, তাই ধাপে ধাপে এগোনো ভালো।
আছে। শিশুদের বইয়ে বড় ছবি, সহজ ধাপ এবং অনুশীলনের ফাঁকা জায়গা থাকে, যাতে দেখে দেখে আঁকা যায়। কৌশলের ব্যাখ্যা কম, হাতেকলমে করার সুযোগ বেশি। বয়স অনুযায়ী বেছে নিলে শিশু নিজে থেকেই আঁকার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারে।
লাগে। ডিজাইনের বড় অংশ হলো কম্পোজিশন, রঙের সম্পর্ক, টাইপোগ্রাফি ও ভারসাম্যের বোধ—এগুলো সফটওয়্যার-নিরপেক্ষ। এই মূলনীতিগুলো জানা থাকলে যেকোনো সফটওয়্যারে কাজ করা সহজ হয়। পরে টুল-ভিত্তিক বই যোগ করলে দক্ষতা পূর্ণ হয়।