161টি পণ্য পাওয়া গেছে
রং যত ভালোই হোক, ব্রাশ ঠিক না থাকলে রেখা আর ওয়াশ কোনোটাই মনের মতো হয় না। আঁকার সরঞ্জামের মধ্যে ব্রাশ আর প্যালেটই সবচেয়ে বেশি হাতে ধরা পড়ে, তাই এগুলোর মান আলাদা গুরুত্ব রাখে।
এই তালিকায় আছে গোল, ফ্ল্যাট, ফিলবার্ট, ফ্যান ও লাইনার আকৃতির ব্রাশ, নরম সিনথেটিক ও শক্ত ব্রিসলের ধরন, ছোট ডিটেইল ব্রাশ থেকে চওড়া ওয়াশ ব্রাশ, সেট আকারে সাজানো প্যাক, প্লাস্টিক ও চিনামাটির মিক্সিং প্যালেট, ঢাকনাসহ স্টে-ওয়েট প্যালেট, পেইন্টিং নাইফ, স্পঞ্জ, রোলার এবং ব্রাশ ধোয়ার পাত্র। জলরং, অ্যাক্রিলিক, অয়েল কিংবা পোস্টার কালার — প্রতিটি মাধ্যমের জন্য উপযুক্ত ধরন আলাদা।
ব্রাশ বাছাইয়ের হাতেকলমে নিয়ম
নতুন শিখছেন বা বহুদিন ধরে আঁকছেন — দুই ধরনের শিল্পীর জন্যই ব্রাশ, প্যালেট ও পেইন্টিং টুলস রয়েছে বইপোকার সংগ্রহে।
নম্বর ব্রাশের ডগার আকার নির্দেশ করে — সংখ্যা যত ছোট, ব্রাশ তত সরু। শূন্যের কাছাকাছি নম্বরগুলো সূক্ষ্ম ডিটেইলের জন্য, বড় নম্বর চওড়া এলাকা ঢাকার জন্য। তবে ব্র্যান্ডভেদে একই নম্বরের আকারে সামান্য পার্থক্য থাকতে পারে।
শুরুর দিকে সেট নিলে বিভিন্ন আকৃতি হাতে এসে যায় এবং কোনটি আপনার কাজে বেশি লাগে তা বোঝা যায়। পরে যেগুলো বেশি ব্যবহার করছেন সেগুলোর ভালো মানের আলাদা ব্রাশ কিনে নিলে খরচ ও মান দুটোরই ভারসাম্য থাকে।
অ্যাক্রিলিক রং প্যালেটে দ্রুত শুকিয়ে যায়। স্টে-ওয়েট প্যালেটে ভেজা কাগজ ও ঢাকনার ব্যবস্থা থাকে, ফলে রং অনেকক্ষণ ব্যবহারযোগ্য থাকে। দীর্ঘ সময় ধরে একটি ছবি আঁকলে এটি রঙের অপচয় অনেকটা কমিয়ে দেয়।