60টি পণ্য পাওয়া গেছে
সাধারণ রং কাপড়ে ধুলে উঠে যায়, কাচে আঁচড় দিলে খসে পড়ে। তাই এই পৃষ্ঠগুলোর জন্য আলাদা করে তৈরি হয় বিশেষ রং, যা শুকিয়ে বা তাপ দিয়ে স্থায়ী করা যায়।
এই বিভাগে রয়েছে শাড়ি, ওড়না, টি-শার্ট ও কুশন কভারে ব্যবহারের ফ্যাব্রিক কালার, আউটলাইন ও থ্রিডি লাইনার টিউব, কাচের গায়ে স্বচ্ছ আভা তৈরি করা গ্লাস পেইন্ট, লেড আউটলাইনার, মাটির পাত্র ও টাইলসে ব্যবহারের সিরামিক রং, গ্লিটার ও মেটালিক শেড এবং এসব কাজের উপযোগী ব্রাশ। বৈশাখের সাজ, ঈদের হাতে আঁকা পোশাক, ঘর সাজানোর বোতল-প্রদীপ কিংবা উপহারের জিনিস — শখের কারিগর ও উদ্যোক্তা দুজনেরই কাজে লাগে।
স্থায়ী ফল পেতে যা মনে রাখা দরকার
হাতে আঁকা পোশাক, ঘরের সাজ ও ছোট উদ্যোগের কাজে যাঁরা ব্যস্ত, তাঁদের জন্য ফ্যাব্রিক, গ্লাস ও সিরামিক রং সাজানো আছে বইপোকায়।
সঠিকভাবে ব্যবহার করলে থাকে। রং সম্পূর্ণ শুকানোর পর কাপড়ের উল্টো পাশ থেকে কাপড়ের ধরন অনুযায়ী তাপে ইস্ত্রি করে নিলে রং আঁশের সঙ্গে বসে যায়। এরপর ঠান্ডা পানিতে হাতে ধোয়া ও উল্টো করে শুকানো ভালো।
কাচের বোতল, জানালার শার্সি, মোমদানি, প্রদীপ ও ছবির ফ্রেমে স্বচ্ছ রঙিন নকশা তুলতে গ্লাস পেইন্ট ব্যবহৃত হয়। আলো ভেদ করে যায় বলে স্টেইনড গ্লাসের মতো প্রভাব তৈরি হয়। আউটলাইনার দিয়ে সীমারেখা টেনে ভেতরে রং ভরা হয়।
সব সিরামিক রং খাবারের সংস্পর্শে ব্যবহারের উপযোগী নয়। প্যাকেটের নির্দেশনা দেখে নিন এবং নিশ্চিত না হলে রং কেবল পাত্রের বাইরের দিকে ও সাজসজ্জার কাজেই ব্যবহার করুন, খাবার লাগে এমন ভেতরের অংশে নয়।