0টি পণ্য পাওয়া গেছে
কোনো পণ্য পাওয়া যায়নি।
ব্যস্ত কাউন্টারে হাতে গুনতে গিয়ে একটি নোট এদিক-ওদিক হলে দিনের পুরো হিসাব মেলে না। নোট গোনার মেশিন ও জাল নোট শনাক্তকারীর এই বিভাগটি সেই ঝুঁকি কমাতে, আর গোনার কাজটিকে দ্রুত ও নির্ভুল করে তুলতে।
সংগ্রহে আছে ডেস্কে বসানো কাউন্টিং মেশিন, যেগুলোতে হপারে বান্ডিল রাখলেই দ্রুত গোনা শেষ হয় এবং পর্দায় সংখ্যা দেখায়। ব্যাচ মোডে নির্দিষ্ট সংখ্যায় থেমে যাওয়া, যোগফল ধরে রাখা, আধখানা বা জোড়া লাগা নোট ধরা পড়লে সতর্ক সংকেত—এসব সুবিধা অনেক মডেলেই থাকে। শনাক্তকরণের দিক থেকে মেলে আল্ট্রাভায়োলেট ও ম্যাগনেটিক সেন্সরযুক্ত মডেল, ইনফ্রারেড যাচাই এবং হাতে ধরার ছোট ডিটেক্টর ল্যাম্প, যা ছোট দোকানেও সহজে রাখা যায়।
দৈনিক লেনদেনের পরিমাণ অনুযায়ী মেশিনের ক্ষমতা বেছে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।
খুচরা দোকান, ফার্মেসি, রেস্তোরাঁ ও প্রতিষ্ঠানের হিসাব বিভাগের জন্য এই যন্ত্রগুলো রেখেছে বইপোকা।
মূলত তিনটি—আল্ট্রাভায়োলেট আলোয় বিশেষ ছাপ ধরা পড়ে, ম্যাগনেটিক সেন্সর কালির চৌম্বক বৈশিষ্ট্য যাচাই করে, আর ইনফ্রারেড পদ্ধতিতে ভেতরের স্তর পরীক্ষা করা হয়। একাধিক পদ্ধতি একসঙ্গে থাকলে যাচাই স্বাভাবিকভাবেই বেশি নির্ভরযোগ্য হয়।
লেনদেন সীমিত হলে হাতে ধরার ইউভি ডিটেক্টর ল্যাম্প বা ছোট বহনযোগ্য শনাক্তকারীই যথেষ্ট, জায়গাও কম লাগে। দিনভর বান্ডিল গুনতে হলে হপারযুক্ত কাউন্টিং মেশিন নেওয়া ভালো, কারণ তাতে গোনার সময় ও ভুল—দুটোই অনেক কমে আসে।
সেন্সর ও রোলারে ধুলা জমলে গোনায় ভুল বা মিথ্যা সতর্কবার্তা আসতে পারে। তাই সঙ্গে দেওয়া নরম ব্রাশ দিয়ে নিয়মিত ভেতরটা পরিষ্কার করুন, ভেজা বা ছেঁড়া নোট আলাদা করে রাখুন এবং যন্ত্র ব্যবহার না করলে ঢেকে রাখুন, তাতে আয়ু অনেক বাড়ে।