0টি পণ্য পাওয়া গেছে
কোনো পণ্য পাওয়া যায়নি।
হাতে লেখা কাগজ আঠা দিয়ে সেঁটে দিলে কিছুদিন পরেই তা খুলে যায় বা পড়া যায় না। লেবেল মেকার ও লেবেল প্রিন্টারের এই বিভাগটি সেই সমস্যারই পেশাদার সমাধান—ফাইল, তাক, তার, পণ্যের বাক্স কিংবা পার্সেল, সবকিছুতে পরিষ্কার ও টেকসই চিহ্ন বসানোর জন্য।
এখানে রয়েছে হাতে ধরার কি-বোর্ডযুক্ত লেবেল মেকার, ফোনের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে চলা ছোট পকেট মডেল এবং ডেস্কে বসানো তাপীয় লেবেল প্রিন্টার। সঙ্গে মেলে বিভিন্ন প্রস্থের লেমিনেটেড টেপ কার্টিজ, রঙিন ও স্বচ্ছ টেপ, গোল ও আয়তাকার স্টিকার রোল এবং বড় মাপের শিপিং লেবেল রোল। অনেক মডেলে বারকোড ও কিউআর কোড ছাপা, ফন্ট ও ফ্রেম বদল এবং একই লেখা বারবার ছাপার সুবিধা থাকে।
কোথায় লেবেল লাগবে—সেটিই টেপের ধরন ও প্রস্থ ঠিক করে দেয়।
গুদাম ব্যবস্থাপক, অনলাইন বিক্রেতা, গ্রন্থাগার ও অফিসের নথি বিভাগের জন্য লেবেলিংয়ের সরঞ্জাম রেখেছে বইপোকা।
লেবেল মেকার সাধারণত হাতে ধরার যন্ত্র, নিজস্ব কি-বোর্ডে লিখে সরু টেপে ছাপা যায়—ফাইল, তার বা তাক চিহ্নিত করতে উপযোগী। লেবেল প্রিন্টার কম্পিউটার বা ফোনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে রোল থেকে বড় লেবেল ছাপে, যা পার্সেল ও পণ্যের কাজে বেশি লাগে।
সরাসরি তাপীয় বা ডাইরেক্ট থার্মাল পদ্ধতির প্রিন্টারে কোনো কালি বা রিবন লাগে না; তাপে রং বদলায় এমন বিশেষ লেবেল রোল ব্যবহার হয়। তবে থার্মাল ট্রান্সফার পদ্ধতির মডেলে আলাদা রিবন লাগে, যা লেখাকে দীর্ঘস্থায়ী ও ঘষা-প্রতিরোধী করে।
যেখানে লাগাবেন সেই জায়গার প্রস্থ মেপে তার চেয়ে সামান্য কম প্রস্থের টেপ নিন। তার বা চিকন ফাইলের পিঠে সরু টেপ মানানসই, আর তাক, ড্রয়ার বা বড় বাক্সে চওড়া টেপ দূর থেকেও পড়া যায়। মেশিন কোন কোন প্রস্থ সমর্থন করে, তা আগে দেখে নিন।