2322টি বই পাওয়া গেছে
চিকিৎসাবিদ্যার পড়াশোনা মানে বিশাল পাঠ্যসূচি আর নিখুঁত তথ্যের ওপর নির্ভরতা। এখানে বই কেবল পরীক্ষার সঙ্গী নয়, ওয়ার্ড ও ল্যাবের দৈনন্দিন কাজেরও অবলম্বন।
এই উপবিভাগে সাজানো আছে অ্যানাটমি, ফিজিওলজি, বায়োকেমিস্ট্রি, ফার্মাকোলজি, প্যাথলজি, মাইক্রোবায়োলজি, ফরেনসিক মেডিসিন, কমিউনিটি মেডিসিন, মেডিসিন, সার্জারি ও গাইনি-অবসের পাঠ্য ও রেফারেন্স বই। সঙ্গে থাকে ডেন্টাল, নার্সিং, ফার্মেসি ও প্যারামেডিকেল কোর্সের বই, অ্যাটলাস ও ছবিনির্ভর সংস্করণ, প্রশ্নব্যাংক এবং ক্লিনিক্যাল পরীক্ষার নির্দেশিকা। এই বইগুলো পড়াশোনা ও তথ্যের জন্য; ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যসংক্রান্ত সিদ্ধান্তে সবসময় যোগ্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
পাঠ্যবই বাছাইয়ের কয়েকটি দিক
মেডিকেল, ডেন্টাল ও নার্সিং শিক্ষার্থী এবং স্বাস্থ্যসেবায় যুক্ত পাঠকদের জন্য এই তাক সাজিয়েছে বইপোকা।
সাধারণত অ্যানাটমি, ফিজিওলজি ও বায়োকেমিস্ট্রি দিয়ে পড়াশোনা শুরু হয়, সঙ্গে একটি ভালো অ্যাটলাস রাখা হয়। কলেজের নির্ধারিত তালিকা দেখে মূল পাঠ্যবই বেছে নেওয়া এবং পরে রিভিশন বই যোগ করার ক্রমটিই বেশি কাজে দেয়।
হ্যাঁ, নার্সিং ও প্যারামেডিকেল কোর্সের পাঠ্যসূচি আলাদা এবং ব্যবহারিক দিকের ওপর জোর বেশি। এই কোর্সগুলোর জন্য তৈরি বইয়ে রোগীর যত্ন, পদ্ধতি ও নীতিমালার অধ্যায় থাকে, তাই কোর্স অনুযায়ী সংস্করণ বাছাই করা দরকার।
আগ্রহী পাঠক স্বাস্থ্য ও শরীরবিদ্যা সম্পর্কে জানতে এই বই পড়তে পারেন, তবে এগুলো একাডেমিক ভাষায় লেখা। নিজের বা পরিবারের চিকিৎসা-সংক্রান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অবশ্যই যোগ্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।