79টি বই পাওয়া গেছে
হাতে-কলমে শেখার পড়াশোনায় তত্ত্ব আর ব্যবহারিক—দুটোই সমান জরুরি। কারিগরি শিক্ষার বই তাই শুধু পড়ার জন্য নয়, কর্মশালা বা ল্যাবে নিয়ে কাজ করার জন্যও তৈরি হয়।
এই উপবিভাগে সাজানো আছে এসএসসি ও এইচএসসি ভোকেশনাল, ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং এবং পলিটেকনিক পর্যায়ের বই। বিষয়ের মধ্যে আছে ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক্স, সিভিল ও কনস্ট্রাকশন, মেকানিক্যাল, কম্পিউটার ও আইটি, অটোমোবাইল, রেফ্রিজারেশন ও এয়ারকন্ডিশনিং, টেক্সটাইল, ড্রাফটিং এবং ইঞ্জিনিয়ারিং ড্রয়িংয়ের বই। সঙ্গে থাকে গাণিতিক ও পদার্থবিজ্ঞানের ভিত্তি বই, ব্যবহারিক খাতা, শপ প্র্যাকটিস নির্দেশিকা ও বিগত প্রশ্নের সংকলন।
হাতে নেওয়ার আগে দেখে নিন
ভোকেশনাল ও পলিটেকনিকের শিক্ষার্থী এবং কারিগরি প্রশিক্ষকদের কথা ভেবে এই তাক সাজিয়েছে বইপোকা।
নিজের টেকনোলজি এবং চলতি পর্ব অনুযায়ী বিষয়ের তালিকা মিলিয়ে নিন, কারণ প্রতিটি টেকনোলজির বিষয় আলাদা। চিত্র, সূত্র ও ব্যবহারিক কাজের বর্ণনা স্পষ্ট আছে এমন সংস্করণ বেছে নিলে ল্যাবের কাজেও সুবিধা হয়।
না। ভোকেশনাল ধারায় ট্রেড বিষয় ও ব্যবহারিক কাজের ওপর আলাদা গুরুত্ব থাকে, আর সাধারণ ধারায় তাত্ত্বিক বিষয়ের ভাগ বেশি। তাই ভোকেশনাল শিক্ষার্থীদের জন্য সেই ধারার পাঠ্যসূচি অনুযায়ী তৈরি বই ব্যবহার করা দরকার।
কারিগরি পরিভাষার বেশির ভাগ ইংরেজি হলেও শুরুর দিকে বাংলা ব্যাখ্যাসহ বই ধারণা পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। ভিত তৈরি হলে ইংরেজি রেফারেন্স বই পড়া সহজ হয়, তাই অনেকেই দুই ধরনের বই পাশাপাশি রাখেন।