229টি পণ্য পাওয়া গেছে
একটা লাইন হলুদ করে দিলেই পুরো পাতায় সেটিই আগে চোখে পড়ে। মার্কার ও হাইলাইটারের এই বিভাগে সেসব কলম রাখা হয়েছে, যেগুলো দিয়ে লেখা আলাদা করে চিহ্নিত করা যায়, বোর্ডে বড় করে লেখা যায় কিংবা এমন জায়গায় লেখা যায় যেখানে সাধারণ কলম চলে না।
সংগ্রহে থাকে পড়ার সময় গুরুত্বপূর্ণ অংশ দাগানোর ফ্লুরোসেন্ট হাইলাইটার ও প্যাস্টেল শেডের নরম সংস্করণ, শ্রেণিকক্ষ ও অফিসের হোয়াইটবোর্ড মার্কার, কাচ-প্লাস্টিক-ধাতুতে লেখার পার্মানেন্ট মার্কার, কাপড়ে লেখার ফেব্রিক মার্কার, শিশুদের আঁকার স্কেচ পেন এবং শিল্পীদের ব্রাশ টিপ ও ডুয়াল টিপ মার্কার। নিবের ধরনে মেলে চিসেল, বুলেট ও ব্রাশ — কাজের ধরন অনুযায়ী বেছে নেওয়া যায়।
মার্কার কেনার আগে ভেবে দেখুন এই দিকগুলো।
শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অফিসের উপস্থাপক, দোকানের সাইনবোর্ড লেখা কর্মী কিংবা শখের শিল্পী — বইপোকার এই মার্কার ও হাইলাইটার সারিতে সবার জন্যই উপযুক্ত কলম আছে।
পাতলা কাগজের বইয়ে দাগাতে হলে শুকনো ধরনের বা কম কালি ছাড়ে এমন হাইলাইটার বেছে নিন, তাতে উল্টো পিঠের লেখা ঢেকে যায় না। প্যাস্টেল শেডগুলো চোখে নরম লাগে এবং একাধিক রঙে বিষয় ভাগ করে পড়তে সুবিধা হয়।
হোয়াইটবোর্ডে ভুল করে পার্মানেন্ট মার্কার ব্যবহার করলে দাগ সহজে ওঠে না। সে ক্ষেত্রে ওই দাগের ওপর হোয়াইটবোর্ড মার্কার দিয়ে লিখে সঙ্গে সঙ্গে মুছলে অনেক সময় উঠে আসে। তাই কলমের গায়ের লেখা দেখে নেওয়া জরুরি।
ব্যবহারের পর ঢাকনা শক্ত করে লাগানোই সবচেয়ে কার্যকর অভ্যাস। মার্কার আড়াআড়ি বা নিব নিচের দিকে রেখে সংরক্ষণ করলে কালি নিবের কাছে থাকে। কিছু মার্কারে রিফিল কালি বা বদলযোগ্য নিব পাওয়া যায়, যা কলমের আয়ু বাড়ায়।