43টি পণ্য পাওয়া গেছে
কার্টনের গায়ে ঠিকানা, ওষুধের বাক্সে তারিখ কিংবা ল্যাবের নমুনায় নাম — এসব লেখা মুছে গেলে বিপদ। পার্মানেন্ট মার্কারের এই বিভাগে সেই কলমগুলো রাখা হয়েছে, যেগুলোর কালি শুকিয়ে গেলে পানি বা হাতের ঘষায় সহজে ওঠে না।
এখানে মেলে সরু বুলেট নিবের মার্কার, মোটা দাগ টানার চিসেল নিব, দুই মাথায় দুই পুরুত্বের ডুয়াল টিপ সংস্করণ এবং কাচ, প্লাস্টিক, ধাতু, কাঠ, সিডি বা কাপড়ের মতো মসৃণ ও অমসৃণ নানা পৃষ্ঠে লেখার উপযোগী কালি। রঙে কালো ও নীল ছাড়াও লাল, সবুজ ও সাদা মেলে, যেগুলো গাঢ় রঙের বাক্স বা টায়ারে চিহ্ন দিতে কাজে লাগে। অনেক সংস্করণে কালি কম বাষ্পীভূত হয় এমন ঢাকনা ও রিফিলের সুবিধাও থাকে।
স্থায়ী মার্কার বেছে নেওয়ার ব্যবহারিক দিক।
গুদামের কর্মী, কুরিয়ার ও প্যাকিং বিভাগ, ল্যাবরেটরির টেকনিশিয়ান, শিক্ষক এবং ঘরের জিনিস গুছিয়ে রাখা যে কেউ — বইপোকার পার্মানেন্ট মার্কার সারি তাঁদের হাতের কাছে রাখার মতো।
মসৃণ পৃষ্ঠ যেমন কাচ বা ধাতু থেকে অ্যালকোহলজাতীয় তরল দিয়ে অনেকটাই তোলা যায়। কিন্তু কাগজ, কাপড় বা কাঠের মতো শোষণক্ষম পৃষ্ঠে কালি ভেতরে ঢুকে যায় বলে দাগ প্রায় স্থায়ী হয়ে থাকে, তাই লেখার আগে জায়গা ভেবে নিন।
বুলেট নিব গোল ও সরু, তাই ছোট লেখা ও লেবেলের জন্য উপযুক্ত। চিসেল নিব চ্যাপ্টা, কাত করে ধরলে সরু আর সোজা ধরলে মোটা দাগ পড়ে, ফলে কার্টনের গায়ে বড় চিহ্ন বা পোস্টারের লেখা দ্রুত করা যায়।
প্রথমে ঢাকনা লাগিয়ে কিছুক্ষণ নিব নিচের দিকে রেখে দিন, অনেক সময় কালি ফিরে আসে। রিফিলযোগ্য হলে নির্ধারিত কালি ভরে নেওয়া যায়। ভবিষ্যতে এড়াতে ব্যবহারের পরপরই ঢাকনা শক্ত করে লাগানোর অভ্যাস করুন।