73টি বই পাওয়া গেছে
প্রকৌশলের পড়াশোনায় একটি বই অনেক সময় গোটা কোর্সের ভাষা ঠিক করে দেয়। সূত্র, নকশা আর সমস্যা সমাধানের ধারা যে বইয়ে পরিষ্কার, সেটিই শেষ পর্যন্ত টেবিলে থেকে যায়।
এই উপবিভাগে আছে সিভিল, ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক, মেকানিক্যাল, কম্পিউটার সায়েন্স, কেমিক্যাল, টেক্সটাইল ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রকৌশলের পাঠ্য ও রেফারেন্স বই। বিষয়ের তালিকায় থাকে ইঞ্জিনিয়ারিং ম্যাথমেটিক্স, মেকানিক্স, থার্মোডাইনামিকস, সার্কিট বিশ্লেষণ, স্ট্রাকচারাল অ্যানালাইসিস, সার্ভেয়িং, ডেটা স্ট্রাকচার ও অ্যালগরিদম, প্রোগ্রামিং, কন্ট্রোল সিস্টেম এবং ইঞ্জিনিয়ারিং ড্রয়িং। সঙ্গে মেলে সমস্যা-সমাধানের বই, ল্যাব ম্যানুয়াল ও হ্যান্ডবুক।
এই বিভাগের মূল আকর্ষণ
প্রকৌশল শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মজীবী প্রকৌশলীদের কথা ভেবে এই সংগ্রহ গুছিয়েছে বইপোকা।
সাধারণত ইঞ্জিনিয়ারিং ম্যাথমেটিক্স, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, বেসিক ইলেকট্রিক্যাল ও ইঞ্জিনিয়ারিং ড্রয়িংয়ের বই দিয়ে শুরু হয়। বিভাগভিত্তিক মূল বিষয়ের বই সাধারণত দ্বিতীয় বর্ষ থেকে যুক্ত হয়, তাই কোর্স তালিকা দেখে নেওয়া ভালো।
পাঠ্যবই ধারণা ও তত্ত্ব দেয়, আর সমাধান বই সেই তত্ত্ব প্রয়োগ করতে শেখায়। প্রকৌশলে দুটোই লাগে, তবে শুরুতে পাঠ্যবই বুঝে পড়া এবং পরে সমস্যা সমাধানের বই দিয়ে চর্চা করার ক্রমটিই বেশি কার্যকর।
হ্যান্ডবুকে সূত্র, মানদণ্ড, টেবিল ও ডিজাইন তথ্য সংক্ষেপে সাজানো থাকে। শেষ বর্ষের প্রকল্প, নকশার কাজ এবং চাকরিজীবনে দ্রুত তথ্য মিলিয়ে দেখার জন্য এগুলো বিশেষভাবে উপযোগী হয়।