‘রেলিক’ লিংকন চাইল্ড ও ডগলাস প্রিস্টন-এর লেখা অনুবাদ থ্রিলার ও জঁরা-ফিকশন বিষয়ক বই। অনুবাদ করেছেন খালেদ নকীব। বোহো থেকে প্রকাশিত। এর কলেবর ৪১৬ পৃষ্ঠা, হার্ডকভার বাঁধাই।
নিউ ইয়র্কের বিশ্ববিখ্যাত মিউজিয়াম অব ন্যাচারাল হিস্টোরিতে ক’দিন বাদেই এক বিশাল প্রদর্শনীর আসর বসার কথা। কিন্তু এরই মাঝে উৎসবের আমেজ ছাপিয়ে এক বীভৎস আতঙ্ক দানা বেঁধেছে। জাদুঘরের ঘুটঘুটে অন্ধকার অলিন্দ আর লোকচক্ষুর অন্তরালে থাকা গোপন কুঠুরিগুলোতে একের পর এক আগন্তুককে হত্যা করা হচ্ছে অতি নৃশংসভাবে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে দেখা গেল এক গা শিউরে ওঠা ইঙ্গিত। এই খুনি কোনো মানুষ হতেই পারে না। প্রকৃতি যেন তার কোন আদিম রহস্যকে এখানে অশুভ ছায়ায় মেলে ধরেছে। অথচ মানুষের কী বিচিত্র স্বভাব! এতগুলো রক্তক্ষয়ী কাণ্ডের পরেও জাদুঘর কর্তৃপক্ষ তাঁদের সেই জাঁকজমকপূর্ণ আনন্দ-উৎসবের পরিকল্পনা নিয়ে অনড়। রক্তের দাগ না মুছতেই তাঁরা মেতে উঠতে চাইছেন বিত্ত আর জৌলুসের উদযাপনে। জাদুঘরের তরুণ গবেষক মার্গো গ্রিনকে এখন খুঁজে বের করতে হবে ঠিক কে, অথবা কোন অশুভ শক্তি এই তাণ্ডব চালাচ্ছে। কিন্তু সময়ের বালুঘড়ি যে দ্রুত ফুরিয়ে আসছে! এক ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড বা রক্তগঙ্গা বইবার আগেই কি সে পারবে এই রহস্যের জট খুলতে? জীবনের এই কঠিন পরীক্ষায় সময় কি তাকে জয়ী হতে দেবে?
অনুবাদ থ্রিলার ও জঁরা-ফিকশন-এ আগ্রহী পাঠকদের কাছে বইটি আগ্রহের বিষয় হতে পারে। ঘরে বসেই বইপোকায় অর্ডার করুন।