‘ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট নিয়ে তিনটি বই একসাথে (প্যাকেজ)’ বইটির লেখক আমীরুল ইসলাম ফুআদ, মুহাম্মাদ হাসিবুল হাসান ও এহসানুল্লাহ জাহাঙ্গীর; এটি একটি প্রাচীন বাংলার ইতিহাস বিষয়ক বই। বাতায়ন পাবলিকেশন থেকে প্রকাশিত। সব মিলিয়ে হার্ডকভার বাঁধাই।
ফকির বিদ্রোহ ও মজনু শাহ
১৭৬০ সালে তৈরি হওয়া একটি বিদ্রোহী বাহিনী, ১৭৬৩ সালে সর্বপ্রথম আক্রমণ করে—বাংলায় উড়ে এসে জুড়ে বসা ইংরেজদের ওপর। একযোগে বহু জায়গায় আক্রমণ। দেখে দেখে ইংরেজদের ঘাঁটিতে, ইংরেজঘেঁষা জমিদারদের কাছারিতে।১৭৮৩ সাল। একে একে তাদের উচ্চপদস্থ বিজ্ঞ ছয়জন অফিসার তাদের হাতে প্রাণ দিলো। কে এত নিপুণভাবে তাদের পরিচালনা করছে! কে গোটা বাংলা—বিশেষত উত্তরবঙ্গকে বিদ্রোহে উজ্জীবিত করছে! কে সেই মহানায়ক? প্রচলিত বিভিন্ন ধারণা ও মিথ্যে ইতিহাসের আস্তাকুঁড় থেকে ছেঁকে ছেঁকে তুলে আনা হয়েছে ইতিহাসের এই মহান নায়ক—নবাব নূরুদ্দীন মুহাম্মদ বাকের জং-কে।
সিরাজউদ্দৌলা ছিলেন নবাব আলীবর্দী খানের দৌহিত্র। সিরাজউদ্দৌলার হৃদয় ছিল দেশপ্রেমে পূর্ণ। দেশের মানুষকে ইংরেজদের গোলামি থেকে রক্ষার জন্য প্রাণপণ চেষ্টা করেছেন তিনি। ইংরেজদের শঠতা আর মীর জাফরদের গাদ্দারির কারণে পলাশীর প্রান্তরে পরাজিত হন তিনি। ইতিহাসে রচিত হয় একটি কালো অধ্যায়। সিরাজবিদ্বেষীরা উঠেপড়ে লাগে সিরাজকে খাটো ও হীন করে দেখানোর উদ্দেশ্যে। ইংরেজদের মনোরঞ্জনের জন্য ছড়াতে থাকে অসংখ্য অপবাদ ও মিথ্যাচার। কেউ বলে গণ্ডমূর্খ কেউ বলে চরিত্রহীন। কেউ-বা আবার উপস্থাপন করে নারীলোভী ও অর্থলোভী হিসেবে। সময়ের পালাবর্তনে এমন অনেক আজগুবি কথাবার্তা রটে যায় সিরাজের ব্যাপারে। সত্যিই কি সিরাজউদ্দৌলা এমন ছিলেন? সত্যিই কি সিরাজউদ্দৌলা তথাকথিত অন্ধকূপ হত্যার নায়ক?
যাঁরা এই বিষয়ে পড়তে চান, বিশেষত ইসলামি জ্ঞানচর্চায় আগ্রহী পাঠকদের জন্য বইটি উপযোগী। ঘরে বসেই বইপোকায় অর্ডার করুন।