‘উমাইয়া খিলাফতরে ইতিবৃত্ত [সংক্ষিপ্ত ইতিহাস]’ — মুহাম্মাদ হাসিবুল হাসান-এর কলমে ইসলামি ইতিহাস ও ঐতিহ্য বিষয়ক বই। প্রকাশক আশরাফিয়া বুক হাউস। পাঠকের হাতে পৌঁছাবে ১৪৪ পৃষ্ঠা নিয়ে।
খিলাফত: সংক্ষিপ্ত রূপরেখা
মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ইন্তিকালের পর শুরু হয় খিলাফত। খিলাফত বা Caliphate (আরবি থেকে خلاق or khilafa) ছিল, সরকারের ইসলামি রূপ যা মুসলিম বিশ্বের নেতৃত্ব এবং রাজনৈতিক একতার প্র-তিনিধিত্ব করে। এই ধরণের শাসন ব্যবস্থার সরকার প্রধানকে খলিফা বলা হয়। ইসলাম ধর্মমতে বলা হয় “খলিফাতুর রাসূলিল্লাহ বা Successor of Messenger of God বা খলিফা (Caliph)”।
ইসলামের ইতিহাসে খিলাফত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। ইসলামের প্রসার ও বিস্তারের সাথে খিলাফত ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। আরবি শব্দ খিলাফতের আভিধানিক মানে হলো প্রতিনিধিত্ব। তবে সম্প্রসারিত অর্থে খিলাফত বলতে বোঝায়, ইসলামি রাষ্ট্র বা ইসলামি শাসন কাঠামোর প্রাতিষ্ঠানিক রূপ। খিলাফত থেকে এসেছে খলিফা শব্দটি, যার মানে খিলাফতের সর্বোচ্চ পদাধিকারী, জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি, শাসক ও নেতা।
মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ইন্তেকালের পর তাঁর চারজন অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সাহাবা ইসলামের সবচেয়ে ন্যায়পরায়ণ ও সঠিক নির্দেশনা-প্রাপ্ত খলিফা বা খুলাফায়ে রাশেদিন হিসেবে অভিহিত হয়েছেন।
হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মৃত্যুর পর হযরত আবু বকর সিদ্দিক রাদিআল্লাহু আনহু হন প্রথম খলিফা।
ইসলামি জ্ঞানচর্চায় আগ্রহী পাঠকদের কাছে বইটি আগ্রহের বিষয় হতে পারে। পছন্দের তালিকায় যোগ করুন বইপোকায়।