এহসানুল্লাহ জাহাঙ্গীর রচিত ‘খানকাহ’ — উপন্যাস। নবপ্রকাশ-এর প্রকাশনায় বইটি পাওয়া যায়। বইটিতে আছে ১৭৬ পৃষ্ঠা, পেপারব্যাক বাঁধাই, সংস্করণ: 1st Published, 2026।
খানকাহ—আমার দ্বিতীয় উপন্যাস। ঐতিহ্যবাহী তিতাস নদীকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে এর দৃশ্যকল্প। নদী ও আটপৌরে জীবন এখানে হাত ধরাধরি করে এগিয়ে গেছে বেশ কিছু চরিত্রের ওপর ভর করে। খানকাহ—বুযুর্গকেন্দ্রিক আমলের প্রদর্শনী কিংবা তথাকথিত পীরমুরিদির গল্প নয়। খানকাহ জিনিসটা মূলত এই উপন্যাসে ‘বাতিঘর’ হিসেবে কাজ করেছে। যেটা ভণ্ডদের আস্তানা নয়, পূর্ববর্তীদের জ্ঞান ও নৈতিক শিক্ষার আকর হিসেবে চিত্রিত হয়েছে। প্রকৃতার্থে এই উপন্যাসের মূল শক্তি হচ্ছে নৈতিকতা ও গভীর জীবনবোধ। এতে প্রস্ফুটিত হয়েছে আবহমানকালের বাংলার মাটি ও মানুষের সম্পর্কের রসায়ন। আর সেটা প্রকাশ পেয়েছে ইসলামের চিত্র-সৌন্দর্যের শিল্প-আবহে। এতে চিত্রিত হয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া অঞ্চলের তিতাসকেন্দ্রিক মানুষের সম্পর্কের কাশমোকাশ ও পারস্পরিক বোঝাপড়া। নদীপাড়ের মানুষের জীবনধারা ও তাদের প্রাত্যহিক জীবনের সমস্যাগুলো। এবং এতে চরিত্রের রসায়নে এসেছে আরো গুরুত্বপূর্ণ তিনটি বিষয়—প্রবাসীপরিবারের কিছু অন্ধকার দিক, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আঞ্চলিক সংঘর্ষের চিরাচরিত রূপকল্প এবং বাংলাদেশে কাদিয়ানিদের প্রথম কেন্দ্র—ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তাদের তৎপরতার খণ্ডচিত্র। এতে সবচে ক্রিয়াশীল চরিত্র হচ্ছে, সিদ্দিকুর রহমান (পীরসাহেব), বুশরা বিবি (পীরসাহেবের স্ত্রী), দীপা, বেলি ও করিম মাঝি।
বিশেষ করে সাহিত্যপ্রেমী পাঠকদের জন্য বইটি কাজে লাগবে। আজই বইপোকা থেকে অর্ডার দিন।