মেজদিদি কেষ্টা অল্প বয়সে মা হারিয়ে একা হয়ে যায়। একমাত্র ভরসা বৈমাত্র বড়ো বোন কাদম্বিনী। ভিক্ষা করে মায়ের শ্রাদ্ধ শেষে ছোট একটা পুঁটলি নিয়ে সে কাদম্বিনীর বাসায় গিয়ে উপস্থিত হয়। একটি চাকরকে বিদায়ের পরিবর্তে আশ্রয় হয় কেষ্টার বোনের বাড়িতে। পরিমাণে একটু ভাত খাওয়ার অপরাধে কেষ্টাকে শুনতে হয় হাজার কটুকথা। ছোট্ট এই মন এত কষ্টের বিনিময়ে খোঁজে একটু ভালোবাসা। নিজ বোনের পরিবর্তে এই ভালোবাসাটুকু পায় সে কাদম্বিনীর জা হেমাঙ্গিনীর কাছে। কেষ্টার প্রতি হেমাঙ্গিনীর এই মাতৃস্নেহ, ভালোবাসার কারণেই সে নিজেও হয়ে ওঠে সকলের চক্ষুশূল। এভাবেই বিভিন্ন ঘটনার মাঝে এগিয়ে গেছে উপন্যাসের পটভূমি।