লেখক জরাসন্ধ নিজে বলেছেন, “এইটুকু শুধু বলতে পারি, জীবনে এমন একটা পথে আমাকে চলতে হয়েছে, যেটা প্রকাশ্য রাজপথ নয়। সে এক নিষিদ্ধ জগৎ। সেখানে যাদের বাস, তাদের ও আমাদের এই দৃশ্যমান জগতের মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে লৌহদণ্ডের যবনিকা।” এই লৌহদণ্ডের যবনিকার ওপারের কোনো কোনো প্রাণী অকস্মাৎ কোনোদিন খুলেছিল তাদের অন্তরদুয়ার, দেখা গেল তাদেরও আছে বৈচিত্র্যময় জীবনকাহিনি— সুখে সমুজ্জ্বল, দুঃখে পরিম্লান, হিংসায় ভয়ংকর, প্রেমে জ্যোতির্ময়। ‘লৌহকপাট’ গ্রন্থে তাদেরই কথা লেখক বলেছেন অসীম মমতায় পরম সহানুভূতির সঙ্গে। এই গ্রন্থ বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক ক্লাসিক উপন্যাসের স্থান নিয়েছে।
লৌহকপাট (চার খণ্ড একত্রে)
প্রথম খণ্ড: তামসী, ছায়াতীর, দশ চলতি মেঘের ছায়া
দ্বিতীয় খণ্ড: ন্যায়দণ্ড, উত্তরাধিকার, এবাড়ি ওবাড়ি (নাটক)
তৃতীয় খণ্ড: মসিরেখা, পরশমণি
চতুর্থ খণ্ড: মহাশ্বেতার ডায়েরী, দেহশিল্পী, পাড়ি