অনেক দিনের পুরোনো এক বাড়ি একলা পড়ে আছে শহরের এক প্রান্তে। কেউ থাকে না সেখানে। অনলাইন বিজ্ঞাপনে বাড়িটার খোঁজ পেলেন নান্টু, মানে মাকসুদ মাহমুদ। ভৌতিক উপন্যাস লিখে নাম কিনেছেন। এবার টিভির জন্য হরর নাটক তৈরি করবেন। সে নাটকেরই শুটিং হবে ‘নিশিকুঞ্জ’ নামের ওই বাড়িতে।শুটিংয়ের গোটা দলটাকে বাড়ির কেয়ারটেকার ইকরু মিয়া অভ্যর্থনা জানাল। কিন্তু বাড়িতে পা দিতে না দিতে একের পর এক ঘটতে শুরু করল ভৌতিক ঘটনা। রহস্যময় মানুষ ইকরু মিয়া। এই দেখা যায়, আবার কোথায় যেন ডুব দেয়! নাটকের অভিনেতা রজনী রায় যে দৃশ্য দেখলেন, শ্বেতবসনা এক নারী স্লো মোশন ছবির মতো নেমে এল বেলগাছ থেকে—কে সে? এদিকে ফাইফরমাশ খাটে যে সিদ্দিক, তার শরীরটা কেমন ভার ভার লাগছে, মনে হচ্ছে কিছু একটা চেপে বসেছে তার শরীরে। কী হয়েছে তার? গভীর রাতে বন্ধ ওই ঘরের ভেতর কী দেখল কণিকা...? এসো, কণিকার মতো সবাই গিয়ে দেখে আসি—কী ঘটছে ওই ভুতুড়ে বাড়িতে।